শিরোনামঃ
ফ্রস্ট ব্লাস্ট দ্য হান্ড্রেড ২৬’-এর পর্দা তুললো ঢাকা মেভরিকস কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির

হলুদ সাংবাদিকতা ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা রুখতে নীতি চান অ্যাটর্নি জেনারেল

#
news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৬

news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”