শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

হলুদ সাংবাদিকতা ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা রুখতে নীতি চান অ্যাটর্নি জেনারেল

#
news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৬

news image

রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৫’-এর তৃতীয় দিনের আলোচনায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণে বহু আইন প্রয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, “আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের ধারাই প্রয়োগ করা হয়।”

তিনি জানান, কোনো আইনের আওতায় না পড়লেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সাংবাদিককে জড়ানো সম্ভব—এই প্রবণতাই মূল সমস্যা। সমাধান হিসেবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালকদের মানসিকতা না বদলালে কেবল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে দোষারোপ করে লাভ নেই।”

মানহানি, দেওয়ানি মামলা, ফৌজদারি আইনের বিভিন্ন ধারা, এমনকি ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন—সবই ‘রাষ্ট্র চাইলে’ সাংবাদিক নিবর্তনে ব্যবহার হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় তিনি রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান, “যে আইন কণ্ঠরোধ করে, সেসব আইন পুনর্বিবেচনা করা দরকার।”