শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

ষড়যন্ত্র ও সহায়তা প্রমাণিত; ছয় আসামির যাবজ্জীবন বহাল রাখল হাইকোর্ট

#
news image

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছয় আসামির শাস্তিও বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে— নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র ও সহায়তার ভূমিকা রেখেছেন, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে জবানবন্দি, সাক্ষ্য ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ হাজির করেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তারা মূল অপরাধ সংঘটনে যুক্ত ছিলেন। তবে তাদের অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুক্তিযুক্ত বলেই আদালত মত দেয়।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে— এই মামলায় পরিকল্পনা, টার্গেট স্থির করা, ভিকটিমকে থামিয়ে রাখা, অপারেশন পরিচালনায় সহযোগিতা এবং পরে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা—এসব কর্মকাণ্ডে এসব আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল।

নিচের আদালত ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে বলে প্রত্যাশা আইনজীবীদের।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪-১১-২০২৫ রাত ১২:৩

news image

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ছয় আসামির শাস্তিও বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে— নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, নুরুল আমিন, নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র ও সহায়তার ভূমিকা রেখেছেন, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে জবানবন্দি, সাক্ষ্য ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণ হাজির করেছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তারা মূল অপরাধ সংঘটনে যুক্ত ছিলেন। তবে তাদের অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুক্তিযুক্ত বলেই আদালত মত দেয়।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে— এই মামলায় পরিকল্পনা, টার্গেট স্থির করা, ভিকটিমকে থামিয়ে রাখা, অপারেশন পরিচালনায় সহযোগিতা এবং পরে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা—এসব কর্মকাণ্ডে এসব আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল।

নিচের আদালত ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দেন। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের মাধ্যমে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে বলে প্রত্যাশা আইনজীবীদের।