শিরোনামঃ
রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত জেটিআই বাংলাদেশ দেশের নম্বর ওয়ান টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃত

মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ

#
news image

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর নাটমণ্ডল প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য সংগ্রামী জনতা শহীদ হন। তাদের সেই আত্মত্যাগের স্মরণে এবং ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতেই এ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯৯৯ সালে UNESCO ২১ ফেব্রুয়ারিকে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ঐতিহাসিক এ দিনের চেতনাকে ধারণ করেই আয়োজিত হচ্ছে এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে একটি দেওয়াল পত্রিকা। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রস্তুত এই দেওয়াল পত্রিকায় স্থান পাবে তাদের নিজস্ব লেখা কবিতা, প্রবন্ধ, স্মৃতিচারণ ও অনুভূতির প্রকাশ। পাশাপাশি ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ১৯৫২ সালের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামের বিভিন্ন তথ্যচিত্র ও চিত্রাঙ্কন সংযোজিত হবে এতে। আয়োজকদের মতে, এটি কেবল একটি সৃজনশীল প্রদর্শনী নয়; বরং শিক্ষার্থীদের চেতনা, শ্রদ্ধা ও দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য আরও গভীরভাবে অনুধাবনের সুযোগ পাবে।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনার অংশ হিসেবে থাকছে নাটক, কবিতা, গান ও নৃত্য। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ প্রখ্যাত নাট্যকার মমতাজউদ্দীন আহমদ রচিত ‘বিবাহ’ নাটকের মঞ্চায়ন। নাটকটির নির্দেশনায় থাকছেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী শাহী ফারজানা তানজীম মিমি। তার সৃজনশীল নির্দেশনায় নাটকটি নতুন মাত্রা পাবে এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা, সামাজিক বাস্তবতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ দর্শকদের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সংলাপ, মঞ্চসজ্জা ও অভিনয়ের সমন্বয়ে নাটকটি উপস্থাপিত হবে দর্শকদের সামনে।

এছাড়াও শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও নৃত্য। কবিতা পরিবেশনায় উঠে আসবে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের স্মৃতি। সংগীতে ধ্বনিত হবে একুশের অমর গান, যা পুরো পরিবেশকে আবেগঘন করে তুলবে। নৃত্য পরিবেশনায় বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে নান্দনিক উপস্থাপনায়।

আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানজুড়ে থাকবে শৃঙ্খলা, সৌন্দর্য ও ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আয়োজনটি সফল ও সার্থক হয়ে উঠবে বলে তারা আশাবাদী। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্তের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এই আয়োজন কেবল একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাই নয়; বরং ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য প্রয়াস—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিনোদন ডেস্ক

১৯-২-২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

news image

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর নাটমণ্ডল প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য সংগ্রামী জনতা শহীদ হন। তাদের সেই আত্মত্যাগের স্মরণে এবং ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতেই এ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯৯৯ সালে UNESCO ২১ ফেব্রুয়ারিকে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ঐতিহাসিক এ দিনের চেতনাকে ধারণ করেই আয়োজিত হচ্ছে এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে একটি দেওয়াল পত্রিকা। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রস্তুত এই দেওয়াল পত্রিকায় স্থান পাবে তাদের নিজস্ব লেখা কবিতা, প্রবন্ধ, স্মৃতিচারণ ও অনুভূতির প্রকাশ। পাশাপাশি ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, ১৯৫২ সালের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার সংগ্রামের বিভিন্ন তথ্যচিত্র ও চিত্রাঙ্কন সংযোজিত হবে এতে। আয়োজকদের মতে, এটি কেবল একটি সৃজনশীল প্রদর্শনী নয়; বরং শিক্ষার্থীদের চেতনা, শ্রদ্ধা ও দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য আরও গভীরভাবে অনুধাবনের সুযোগ পাবে।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনার অংশ হিসেবে থাকছে নাটক, কবিতা, গান ও নৃত্য। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ প্রখ্যাত নাট্যকার মমতাজউদ্দীন আহমদ রচিত ‘বিবাহ’ নাটকের মঞ্চায়ন। নাটকটির নির্দেশনায় থাকছেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী শাহী ফারজানা তানজীম মিমি। তার সৃজনশীল নির্দেশনায় নাটকটি নতুন মাত্রা পাবে এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা, সামাজিক বাস্তবতা ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ দর্শকদের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। সংলাপ, মঞ্চসজ্জা ও অভিনয়ের সমন্বয়ে নাটকটি উপস্থাপিত হবে দর্শকদের সামনে।

এছাড়াও শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হবে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও নৃত্য। কবিতা পরিবেশনায় উঠে আসবে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের স্মৃতি। সংগীতে ধ্বনিত হবে একুশের অমর গান, যা পুরো পরিবেশকে আবেগঘন করে তুলবে। নৃত্য পরিবেশনায় বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে নান্দনিক উপস্থাপনায়।

আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানজুড়ে থাকবে শৃঙ্খলা, সৌন্দর্য ও ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আয়োজনটি সফল ও সার্থক হয়ে উঠবে বলে তারা আশাবাদী। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্তের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এই আয়োজন কেবল একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাই নয়; বরং ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য প্রয়াস—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।