শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

আদানি-বাংলাদেশ বিদ্যুৎচুক্তি: বকেয়া বিতর্কে কূটনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা

#
news image

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের প্রধান অংশীদারিত্বকারী প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের সঙ্গে বকেয়া নিয়ে টানাপোড়েন আবারও আলোচনায় এসেছে।

যদিও মঙ্গলবার ৩ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধের পর সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, তবুও দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তির ব্যাখ্যা ও মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ রয়েই গেছে।

আদানির দাবি, তাদের মোট পাওনা ৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যার মধ্যে ২৬ কোটি ২০ লাখ ডলার নিয়ে কোনো বিরোধ নেই।

অন্যদিকে, পিডিবির দাবি- আদানি বাজার দামের চেয়ে অতিরিক্ত কয়লার মূল্য হিসাব করছে।
বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদানি প্রস্তাব দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের; কিন্তু পিডিবি রাজি হয়নি।

এদিকে পিডিবি জানিয়েছে, চুক্তির বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলা চলমান আছে। আদালতের নির্দেশনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল আর্থিক নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও শক্তির রাজনীতিরও অংশ।
কারণ আদানি প্রকল্পটি ভারত সরকারের নীতি সমর্থনে হয়েছে এবং এতে বাংলাদেশের অবস্থান সরাসরি দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কিত।

একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ বলেন- “বাংলাদেশকে এখন খুব সতর্কভাবে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে—একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।”

বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এই বিরোধ যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে তা দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতায় আস্থার ঘাটতি তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, নিয়মিত অর্থপ্রদানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার আপাতত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখলেও ভবিষ্যতে এই চুক্তির পুনর্বিবেচনা অপরিহার্য হয়ে উঠছে।

কূটনৈতিক ও চুক্তিগত বিশ্লেষণ প্রতিবেদন

১২-১১-২০২৫ রাত ১২:৩৯

news image

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্যের প্রধান অংশীদারিত্বকারী প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের সঙ্গে বকেয়া নিয়ে টানাপোড়েন আবারও আলোচনায় এসেছে।

যদিও মঙ্গলবার ৩ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধের পর সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, তবুও দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তির ব্যাখ্যা ও মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ রয়েই গেছে।

আদানির দাবি, তাদের মোট পাওনা ৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যার মধ্যে ২৬ কোটি ২০ লাখ ডলার নিয়ে কোনো বিরোধ নেই।

অন্যদিকে, পিডিবির দাবি- আদানি বাজার দামের চেয়ে অতিরিক্ত কয়লার মূল্য হিসাব করছে।
বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদানি প্রস্তাব দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের; কিন্তু পিডিবি রাজি হয়নি।

এদিকে পিডিবি জানিয়েছে, চুক্তির বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট মামলা চলমান আছে। আদালতের নির্দেশনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি কেবল আর্থিক নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও শক্তির রাজনীতিরও অংশ।
কারণ আদানি প্রকল্পটি ভারত সরকারের নীতি সমর্থনে হয়েছে এবং এতে বাংলাদেশের অবস্থান সরাসরি দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কিত।

একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ বলেন- “বাংলাদেশকে এখন খুব সতর্কভাবে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে—একদিকে জ্বালানি নিরাপত্তা, অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।”

বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, এই বিরোধ যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে তা দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতায় আস্থার ঘাটতি তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে, নিয়মিত অর্থপ্রদানের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার আপাতত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখলেও ভবিষ্যতে এই চুক্তির পুনর্বিবেচনা অপরিহার্য হয়ে উঠছে।