জাতীয় সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী জামায়াত, ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে গোপন বৈঠকের কথা স্বীকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১-১২-২০২৫ রাত ১১:৫৭
জাতীয় সরকারে যোগ দিতে আগ্রহী জামায়াত, ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে গোপন বৈঠকের কথা স্বীকার
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর একটি জাতীয় সরকারে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে চলতি বছরের শুরুতে ভারতের এক কূটনীতিকের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থাটি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্য দেশের কূটনীতিকরা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেও ভারতীয় ওই কর্মকর্তা বৈঠকটি গোপন রাখতে অনুরোধ করেছিলেন। সে কারণেই বিষয়টি এতদিন প্রকাশ করা হয়নি বলে জানান তিনি।
জাতীয় সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের সবাইকে খোলা মনোভাব রাখতে হবে। আমরা অন্তত পাঁচ বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল দেশ চাই। দলগুলো একসঙ্গে এলে আমরা সবাই মিলে সরকার পরিচালনা করব।” তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচি জাতীয় সরকারের একটি যৌথ লক্ষ্য হওয়া উচিত।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রশ্নে জামায়াত আমির বলেন, যে দল সবচেয়ে বেশি আসন পাবে, সেই দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হবেন। জামায়াত সর্বোচ্চ আসন পেলে তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রী হবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত দল নেবে।
এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ভারত সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১-১২-২০২৫ রাত ১১:৫৭
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর একটি জাতীয় সরকারে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে চলতি বছরের শুরুতে ভারতের এক কূটনীতিকের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থাটি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্য দেশের কূটনীতিকরা প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেও ভারতীয় ওই কর্মকর্তা বৈঠকটি গোপন রাখতে অনুরোধ করেছিলেন। সে কারণেই বিষয়টি এতদিন প্রকাশ করা হয়নি বলে জানান তিনি।
জাতীয় সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের সবাইকে খোলা মনোভাব রাখতে হবে। আমরা অন্তত পাঁচ বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল দেশ চাই। দলগুলো একসঙ্গে এলে আমরা সবাই মিলে সরকার পরিচালনা করব।” তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচি জাতীয় সরকারের একটি যৌথ লক্ষ্য হওয়া উচিত।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রশ্নে জামায়াত আমির বলেন, যে দল সবচেয়ে বেশি আসন পাবে, সেই দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হবেন। জামায়াত সর্বোচ্চ আসন পেলে তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রী হবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত দল নেবে।
এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ভারত সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।