১৭ বছর পর পল্টনে তারেক রহমান আবেগে ভাসলো বিএনপি কার্যালয়, অসুস্থ খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাইলেন নেতা–কর্মীদের কাছে
শহিদুল ইসলাম খোকন
২৯-১২-২০২৫ রাত ৮:৩৬
১৭ বছর পর পল্টনে তারেক রহমান আবেগে ভাসলো বিএনপি কার্যালয়, অসুস্থ খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাইলেন নেতা–কর্মীদের কাছে
দীর্ঘ ১৭ বছর পর রাজধানীর ঐতিহাসিক পল্টন বিএনপি কার্যালয়ে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বহুল প্রতীক্ষিত এই মুহূর্তে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত নেতা–কর্মীরা। করতালি, স্লোগান আর অশ্রুসজল চোখে তাঁকে স্বাগত জানান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
আজ সোমবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে তারেক রহমান পল্টন পার্টি অফিসে পৌঁছান। এরপর কার্যালয়ের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য দেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই তারেক রহমান বলেন,
এই কার্যালয় শুধু একটি ভবন নয়, এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের ইতিহাস। দীর্ঘদিন পর আজ এখানে দাঁড়িয়ে আমি গভীর আবেগ অনুভব করছি।
তিনি দলীয় নেতা–কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় ধৈর্য, দায়িত্বশীলতা ও সংগঠনের শক্তিকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,
আপনারা ছোট ছোট কিছু ভালো কাজ দিয়ে ভালো কাজের সূচনা করুন।
বক্তব্যের একপর্যায়ে আবেগে ভারী হয়ে ওঠেন তারেক রহমান। তিনি তাঁর অসুস্থ মা, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে উপস্থিত নেতা–কর্মীদের কাছে তাঁর আশু রোগমুক্তির জন্য দোয়া কামনা করেন।
তিনি বলেন,
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। এই কঠিন সময়ে আমি আপনাদের সকলের কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।
এ সময় পুরো কার্যালয়ে নীরবতা নেমে আসে। অনেক নেতা–কর্মীর চোখে জল দেখা যায়। পরে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া করেন।
এ সময় তারেক রহমানের পাশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের অন্যান্য সিনিয়র নেতারা। তবে এদিন তাঁরা কেউ বক্তব্য রাখেননি।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, মামলা ও নির্বাসিত জীবনের প্রেক্ষাপটে প্রায় ১৭ বছর ধরে তারেক রহমান সরাসরি পল্টন বিএনপি কার্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেননি। তাঁর এই আগমনকে দলের নেতা–কর্মীরা বিএনপির রাজনৈতিক জীবনের এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
এ সময় পার্টি অফিসের সামনে লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর ভিড় দেখা যায়। গাড়িবহরের সামনে স্লোগানরত অবস্থায় কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক খান মনিরুজ্জামান মিলটন সহ আরো অনেককে দেখা যায়।
নেতাকর্মীদের মতে, এই উপস্থিতি কেবল একটি সফর নয়—বরং এটি দলের ভেতরে নতুন উদ্দীপনা, ঐক্য এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের ইঙ্গিত বহন করছে।
আবেগ, প্রত্যাশা ও সংগ্রামের দিন
১৭ বছর পর পল্টনে তারেক রহমানের উপস্থিতি বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক আবেগঘন ও স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। দোয়া, প্রত্যাশা ও সংগ্রামের স্মৃতিতে ভরা এই দিনটি নেতা–কর্মীদের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে—যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ।
শহিদুল ইসলাম খোকন
২৯-১২-২০২৫ রাত ৮:৩৬
দীর্ঘ ১৭ বছর পর রাজধানীর ঐতিহাসিক পল্টন বিএনপি কার্যালয়ে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বহুল প্রতীক্ষিত এই মুহূর্তে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত নেতা–কর্মীরা। করতালি, স্লোগান আর অশ্রুসজল চোখে তাঁকে স্বাগত জানান দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
আজ সোমবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ দুপুর ৩টা ৩০ মিনিটে তারেক রহমান পল্টন পার্টি অফিসে পৌঁছান। এরপর কার্যালয়ের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য দেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই তারেক রহমান বলেন,
এই কার্যালয় শুধু একটি ভবন নয়, এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের ইতিহাস। দীর্ঘদিন পর আজ এখানে দাঁড়িয়ে আমি গভীর আবেগ অনুভব করছি।
তিনি দলীয় নেতা–কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় ধৈর্য, দায়িত্বশীলতা ও সংগঠনের শক্তিকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,
আপনারা ছোট ছোট কিছু ভালো কাজ দিয়ে ভালো কাজের সূচনা করুন।
বক্তব্যের একপর্যায়ে আবেগে ভারী হয়ে ওঠেন তারেক রহমান। তিনি তাঁর অসুস্থ মা, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে উপস্থিত নেতা–কর্মীদের কাছে তাঁর আশু রোগমুক্তির জন্য দোয়া কামনা করেন।
তিনি বলেন,
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। এই কঠিন সময়ে আমি আপনাদের সকলের কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।
এ সময় পুরো কার্যালয়ে নীরবতা নেমে আসে। অনেক নেতা–কর্মীর চোখে জল দেখা যায়। পরে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে দেশনেত্রীর সুস্থতা কামনায় দোয়া করেন।
এ সময় তারেক রহমানের পাশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের অন্যান্য সিনিয়র নেতারা। তবে এদিন তাঁরা কেউ বক্তব্য রাখেননি।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, মামলা ও নির্বাসিত জীবনের প্রেক্ষাপটে প্রায় ১৭ বছর ধরে তারেক রহমান সরাসরি পল্টন বিএনপি কার্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেননি। তাঁর এই আগমনকে দলের নেতা–কর্মীরা বিএনপির রাজনৈতিক জীবনের এক ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
এ সময় পার্টি অফিসের সামনে লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর ভিড় দেখা যায়। গাড়িবহরের সামনে স্লোগানরত অবস্থায় কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক খান মনিরুজ্জামান মিলটন সহ আরো অনেককে দেখা যায়।
নেতাকর্মীদের মতে, এই উপস্থিতি কেবল একটি সফর নয়—বরং এটি দলের ভেতরে নতুন উদ্দীপনা, ঐক্য এবং ভবিষ্যৎ আন্দোলনের ইঙ্গিত বহন করছে।
আবেগ, প্রত্যাশা ও সংগ্রামের দিন
১৭ বছর পর পল্টনে তারেক রহমানের উপস্থিতি বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক আবেগঘন ও স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। দোয়া, প্রত্যাশা ও সংগ্রামের স্মৃতিতে ভরা এই দিনটি নেতা–কর্মীদের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে—যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ।