শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

 'আর সময় নেই, মাঠে নামতে হবে'- নেতাকর্মীদের প্রতি তারেক রহমান

#
news image

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের প্রতি সরাসরি মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দলের এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে 'বিজয়ের মাস উপলক্ষে দেশ গড়ার পরিকল্পনা' শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, "আমাদের আর ঘরে বসে থাকার বিন্দুমাত্র সময় নেই। মাঠে চলে যেতে হবে, মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, পথে-প্রান্তরে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এর বাইরে আর এখন সময় নেই।"

তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, "কথার ফুলঝুরি দিয়ে জনগণের পেটে খাবার আসে না, কথার ফুলঝুরি দিয়ে কর্মসংস্থান হয় না। কর্মসংস্থান করতে হলে পরিকল্পনা লাগে, জনগণের পেটে আহার দিতে হলে, ভাত দিতে হলে পরিকল্পনা লাগে, যা একমাত্র বিএনপির আছে।"

বিএনপি সরকারে থাকাকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ ও সফল পরিকল্পনার 'ট্র্যাক রেকর্ড' তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, "খালেদা জিয়ার সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সংস্থাটিকে এতটাই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, সেই কমিশন যদি সরকারের কোনো একটি বিষয়ে তদন্ত করতে চাইত, সরকারের অনুমতির প্রয়োজন ছিল না। তারা সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল। এটি আমরা আবার করব।"

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রায় এক হাজারেরও বেশি নেতা অংশ নেন। সেখানে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আইনশৃঙ্খলা কঠোর করা, ফ্রি ইন্টারনেট চালু, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রান্তিক মানুষের জন্য পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য ফার্ম কার্ড, সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য কার্ড এবং ভোকেশনাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মতো বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

এর আগে সকালে এই অনুষ্ঠানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান একটি জরিপের তথ্য উল্লেখ করে বলেন, জরিপে উত্তরদাতাদের ৬৬ শতাংশ বিএনপি এবং ২৬ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে এই নির্বাচনে বেশি আসন পাওয়ার বিষয়ে মত দিয়েছে। তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "যে জনগণ তাদের মন স্থির করে ফেলেছে, তারাই ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দেবে না।"

এছাড়াও, মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তারেক রহমান একটি পোস্টে বলেন, "বহু বছর অব্যবস্থাপনার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই অবশ্যই কঠিন হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসই প্রমাণ করে, যখন সৎ নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও জনগণের সমর্থন একসাথে আসে, তখন পরিবর্তন অসম্ভব নয়। জনগণ যদি দায়িত্ব দেয়– বিএনপি আবারও সেই লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।"

অন্যদিকে, জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তারেক রহমান দীর্ঘ দেড় দশকের দুঃশাসনের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই সময়ে মানবাধিকার সমাধিস্থ করা হয়েছিল এবং গণতন্ত্রকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যারা দাঁড়িয়েছিলেন, তারা মিথ্যা মামলা, কারাবাস, শারীরিক নির্যাতন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল।

ডেস্ক রিপোর্ট

৯-১২-২০২৫ রাত ১০:৫৭

news image

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের প্রতি সরাসরি মাঠে নামার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দলের এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে 'বিজয়ের মাস উপলক্ষে দেশ গড়ার পরিকল্পনা' শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, "আমাদের আর ঘরে বসে থাকার বিন্দুমাত্র সময় নেই। মাঠে চলে যেতে হবে, মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, পথে-প্রান্তরে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এর বাইরে আর এখন সময় নেই।"

তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, "কথার ফুলঝুরি দিয়ে জনগণের পেটে খাবার আসে না, কথার ফুলঝুরি দিয়ে কর্মসংস্থান হয় না। কর্মসংস্থান করতে হলে পরিকল্পনা লাগে, জনগণের পেটে আহার দিতে হলে, ভাত দিতে হলে পরিকল্পনা লাগে, যা একমাত্র বিএনপির আছে।"

বিএনপি সরকারে থাকাকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ ও সফল পরিকল্পনার 'ট্র্যাক রেকর্ড' তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, "খালেদা জিয়ার সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সংস্থাটিকে এতটাই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, সেই কমিশন যদি সরকারের কোনো একটি বিষয়ে তদন্ত করতে চাইত, সরকারের অনুমতির প্রয়োজন ছিল না। তারা সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল। এটি আমরা আবার করব।"

অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রায় এক হাজারেরও বেশি নেতা অংশ নেন। সেখানে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আইনশৃঙ্খলা কঠোর করা, ফ্রি ইন্টারনেট চালু, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রান্তিক মানুষের জন্য পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য ফার্ম কার্ড, সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য কার্ড এবং ভোকেশনাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মতো বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

এর আগে সকালে এই অনুষ্ঠানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান একটি জরিপের তথ্য উল্লেখ করে বলেন, জরিপে উত্তরদাতাদের ৬৬ শতাংশ বিএনপি এবং ২৬ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে এই নির্বাচনে বেশি আসন পাওয়ার বিষয়ে মত দিয়েছে। তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "যে জনগণ তাদের মন স্থির করে ফেলেছে, তারাই ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দেবে না।"

এছাড়াও, মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তারেক রহমান একটি পোস্টে বলেন, "বহু বছর অব্যবস্থাপনার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই অবশ্যই কঠিন হবে। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসই প্রমাণ করে, যখন সৎ নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও জনগণের সমর্থন একসাথে আসে, তখন পরিবর্তন অসম্ভব নয়। জনগণ যদি দায়িত্ব দেয়– বিএনপি আবারও সেই লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।"

অন্যদিকে, জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তারেক রহমান দীর্ঘ দেড় দশকের দুঃশাসনের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই সময়ে মানবাধিকার সমাধিস্থ করা হয়েছিল এবং গণতন্ত্রকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যারা দাঁড়িয়েছিলেন, তারা মিথ্যা মামলা, কারাবাস, শারীরিক নির্যাতন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল।