‘প্রার্থী নয়, ধানের শীষ মুখ্য’—নির্বাচনের দুই মাস আগেই মাঠ গরম করলেন তারেক রহমান
ডেস্ক রিপোর্ট
৯-১২-২০২৫ রাত ১২:১৮
‘প্রার্থী নয়, ধানের শীষ মুখ্য’—নির্বাচনের দুই মাস আগেই মাঠ গরম করলেন তারেক রহমান
আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বিএনপির ভেতরে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষ বা ভিন্নমত দেখা দিতে পারে—এমন ইঙ্গিত মাথায় রেখে নেতাকর্মীদের সতর্ক করলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার দাবি, নির্বাচনে মুখ্য প্রার্থী নয়, মুখ্য হচ্ছে প্রতীকের ঐক্য—ধানের শীষ।
সোমবার ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দিয়ে তিনি বলেন, “আপনার পছন্দের কেউ প্রার্থী নাও হতে পারেন, কিন্তু কাজ করতে হবে ধানের শীষের পক্ষে। দলই মুখ্য, দেশই মুখ্য।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় কোন্দল, মনোনয়নবিষয়ক অসন্তোষ এবং মাঠ পর্যায়ে ঐক্যের সংকট কাটানোই তারেক রহমানের এই বার্তার মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা—শিক্ষা সংস্কার, স্বাস্থ্যসেবা, জাতীয় ক্রীড়া উন্নয়ন, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কর্মসংস্থান—এসবকে হাতে-কলমে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী দুই মাসকে এই প্রচারণার জন্য ‘সিদ্ধান্তমূলক সময়’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ আমলে “একজন ভালো, বাকিরা সবাই খারাপ” ধরনের প্রচারণা ছড়ানো হয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যেও তিনি জানান—এই মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অংশগ্রহণে ধারাবাহিক কর্মশালা ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এর পর একটি বড় সমাপনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথাও জানান নেতারা।
ডেস্ক রিপোর্ট
৯-১২-২০২৫ রাত ১২:১৮
আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বিএনপির ভেতরে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে অসন্তোষ বা ভিন্নমত দেখা দিতে পারে—এমন ইঙ্গিত মাথায় রেখে নেতাকর্মীদের সতর্ক করলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার দাবি, নির্বাচনে মুখ্য প্রার্থী নয়, মুখ্য হচ্ছে প্রতীকের ঐক্য—ধানের শীষ।
সোমবার ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দিয়ে তিনি বলেন, “আপনার পছন্দের কেউ প্রার্থী নাও হতে পারেন, কিন্তু কাজ করতে হবে ধানের শীষের পক্ষে। দলই মুখ্য, দেশই মুখ্য।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় কোন্দল, মনোনয়নবিষয়ক অসন্তোষ এবং মাঠ পর্যায়ে ঐক্যের সংকট কাটানোই তারেক রহমানের এই বার্তার মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা—শিক্ষা সংস্কার, স্বাস্থ্যসেবা, জাতীয় ক্রীড়া উন্নয়ন, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কর্মসংস্থান—এসবকে হাতে-কলমে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী দুই মাসকে এই প্রচারণার জন্য ‘সিদ্ধান্তমূলক সময়’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ আমলে “একজন ভালো, বাকিরা সবাই খারাপ” ধরনের প্রচারণা ছড়ানো হয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যেও তিনি জানান—এই মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অংশগ্রহণে ধারাবাহিক কর্মশালা ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এর পর একটি বড় সমাপনী অনুষ্ঠান হওয়ার কথাও জানান নেতারা।