শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

গণতন্ত্রই পথ, শিরিকে নয় মত—তারেকের কড়া বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে

#
news image

রাজনীতির অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে যে ধর্মীয় ‘টিকিট-বাণিজ্য’ ও ‘কনফার্মেশন’-এর আলোচনা চলছে, তাকে সরাসরি ‘শিরিক’ বলে চিহ্নিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার বক্তব্যে স্পষ্ট—ধর্মীয় প্রতিশ্রুতি বেচাকেনা শুধু বিভ্রান্তি নয়, রাজনৈতিকভাবে বিপজ্জনকও।

তারেক রহমানের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন—“যেটা একমাত্র আল্লাহর এখতিয়ার, তা মানুষ দিতে পারে না। এ দাবি করা শিরিকের পর্যায়ে পড়ে।”
বিএনপির ভেতরে বার্তা ছিল আরও কঠোর—নেতাকর্মীদের জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে এই বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, আসন্ন কঠিন সময় এবং ইসলামী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর পুনর্গঠনের মধ্যে তারেকের বক্তব্য নতুন ধরনের রাজনৈতিক অবস্থান নির্দেশ করছে।

তারেক বলেন, দেশের দুই বড় সংকট—দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা—এখন নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে অর্থনীতি, শিক্ষা, কৃষি ও নারীর অগ্রগতিসহ প্রতিটি খাত বাধাগ্রস্ত হবে।

বিএনপির ‘স্বাবলম্বী বাংলাদেশ’ ধারণা তুলে ধরে তিনি বলেন—“আমরা সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, চাই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কর্মসংস্থানসমৃদ্ধ বাংলাদেশ।”

সভায় বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরও অভিযোগ করেন—ধর্মের নামে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা চলছে, যা ১৯৭১-এর চেতনার বিপরীত।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:১২

news image

রাজনীতির অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে যে ধর্মীয় ‘টিকিট-বাণিজ্য’ ও ‘কনফার্মেশন’-এর আলোচনা চলছে, তাকে সরাসরি ‘শিরিক’ বলে চিহ্নিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার বক্তব্যে স্পষ্ট—ধর্মীয় প্রতিশ্রুতি বেচাকেনা শুধু বিভ্রান্তি নয়, রাজনৈতিকভাবে বিপজ্জনকও।

তারেক রহমানের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন—“যেটা একমাত্র আল্লাহর এখতিয়ার, তা মানুষ দিতে পারে না। এ দাবি করা শিরিকের পর্যায়ে পড়ে।”
বিএনপির ভেতরে বার্তা ছিল আরও কঠোর—নেতাকর্মীদের জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে এই বিষয়টি পরিষ্কার করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, আসন্ন কঠিন সময় এবং ইসলামী রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর পুনর্গঠনের মধ্যে তারেকের বক্তব্য নতুন ধরনের রাজনৈতিক অবস্থান নির্দেশ করছে।

তারেক বলেন, দেশের দুই বড় সংকট—দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা—এখন নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে অর্থনীতি, শিক্ষা, কৃষি ও নারীর অগ্রগতিসহ প্রতিটি খাত বাধাগ্রস্ত হবে।

বিএনপির ‘স্বাবলম্বী বাংলাদেশ’ ধারণা তুলে ধরে তিনি বলেন—“আমরা সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, চাই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কর্মসংস্থানসমৃদ্ধ বাংলাদেশ।”

সভায় বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরও অভিযোগ করেন—ধর্মের নামে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা চলছে, যা ১৯৭১-এর চেতনার বিপরীত।