শিরোনামঃ
সংবিধান সংস্কার: সমঝোতা, নাকি রাজপথের চাপ? রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু

রেজা কিবরিয়ার প্রত্যাবর্তন, সিনিয়রদের পুনঃমনোনয়ন- বিএনপির তালিকায় হিসাব-নিকাশের ইঙ্গিত

#
news image

বিএনপি একদিনে আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে নতুন বার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে হবিগঞ্জ–১ আসনে রেজা কিবরিয়ার মনোনয়ন দলীয় কৌশলের বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর তিনি বিএনপির টিকিট পেলেন—এটিকে অনেকে ‘রিফ্রেশড ফ্রন্টলাইনার’ তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

তালিকায় নজরকাড়া আরও একটি বিষয়- বয়স, সক্রিয়তা ও মাঠ–পরিস্থিতি উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশাকে পুনরায় মনোনয়ন। তিনি ১৭ বছর সক্রিয় না থাকলেও টিকিট পেয়েছেন, যা তৃণমূলে প্রশ্ন তুলেছে।

অন্যদিকে সিলেট–৪ আসনে আলোচনার অবসান ঘটিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীকে প্রার্থী ঘোষণা দলীয় মেরুকরণ কমানোর ইঙ্গিত দেয়।
ঢাকা–১৮ আসনে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধর বদলে এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন দেওয়া- মহানগর উত্তর বিএনপির সংগঠন ধরে রাখার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন- বিএনপির মোট ২৭২ আসনের প্রার্থী তালিকাের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, দলটি একদিকে নতুন ভাবমূর্তি তৈরিতে আগ্রহী, অন্যদিকে অভিজ্ঞ ও বিতর্কিত নেতাদেরও জায়গা দিয়ে ভারসাম্য রাখছে।

দলটি এখনো ২৮টি আসন ঘোষণা করেনি। এসব আসনে জোটমিত্রদের সমন্বয় ও কৌশলগত আসন পরিবর্তনের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা রাজনৈতিকভাবে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

তানভীর সানি

৪-১২-২০২৫ রাত ১১:৫৬

news image

বিএনপি একদিনে আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠে নতুন বার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে হবিগঞ্জ–১ আসনে রেজা কিবরিয়ার মনোনয়ন দলীয় কৌশলের বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর তিনি বিএনপির টিকিট পেলেন—এটিকে অনেকে ‘রিফ্রেশড ফ্রন্টলাইনার’ তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

তালিকায় নজরকাড়া আরও একটি বিষয়- বয়স, সক্রিয়তা ও মাঠ–পরিস্থিতি উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশাকে পুনরায় মনোনয়ন। তিনি ১৭ বছর সক্রিয় না থাকলেও টিকিট পেয়েছেন, যা তৃণমূলে প্রশ্ন তুলেছে।

অন্যদিকে সিলেট–৪ আসনে আলোচনার অবসান ঘটিয়ে আরিফুল হক চৌধুরীকে প্রার্থী ঘোষণা দলীয় মেরুকরণ কমানোর ইঙ্গিত দেয়।
ঢাকা–১৮ আসনে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধর বদলে এস এম জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন দেওয়া- মহানগর উত্তর বিএনপির সংগঠন ধরে রাখার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন- বিএনপির মোট ২৭২ আসনের প্রার্থী তালিকাের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, দলটি একদিকে নতুন ভাবমূর্তি তৈরিতে আগ্রহী, অন্যদিকে অভিজ্ঞ ও বিতর্কিত নেতাদেরও জায়গা দিয়ে ভারসাম্য রাখছে।

দলটি এখনো ২৮টি আসন ঘোষণা করেনি। এসব আসনে জোটমিত্রদের সমন্বয় ও কৌশলগত আসন পরিবর্তনের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা রাজনৈতিকভাবে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।