শিরোনামঃ
জনবান্ধব বাজেট ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ: যেখানে সরকারকে নজর দিতে হবে প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে টেন্ডার বাণিজ্য- রূপনগরে দুই প্রতারক আটক আইনের হাতে সোপর্দ জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো জুলকান বিটডাউন ব্যবসায়ীদের বিদেশ ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে থমকে যাবে নতুন বিনিয়োগ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ

বিপিএলের নিলাম শেষে এনসিএলে ঝলক: দল না পাওয়া ব্যাটাররা সেঞ্চুরিতে, আলোচনায় বৈপরীত্য

#
news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।

স্পোর্টস ডেস্ক

২-১২-২০২৫ রাত ১২:১৫

news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।