শিরোনামঃ
‘টাইটেল ধরে রাখার চাপ, তবু মেসিদের দাপ—জে গ্রুপে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্নযাত্রা’ বিশ্বকাপ ২০২৬—ঘুম ভাঙার আগেই মাঠে ব্রাজিল, জানুন তিন ম্যাচের সময়সূচি অর্থনীতিতে বড় অবদান, তবুও অভিবাসীরা রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রে চাপ বাড়ছে ভোক্তার—ঘোষণাহীন দাম বৃদ্ধি বৈঠকে বৈধতা পেল! গণতন্ত্রই পথ, শিরিকে নয় মত—তারেকের কড়া বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে ফিরলেই আরও দাম কমবে: ব্যবসায়ীদের পূর্বাভাস ঋণের ফাঁদে ‘দুই হাজার কোটি’, এস আলম–বিতর্ক নতুন আলোচনায় রংপুরে সুন্নী জোটের মতবিনিময় ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত  বাংলাদেশে জ্যাক মোটরসের নতুন ডিস্ট্রিবিউটর  র‌্যানকন  ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে বার্ষিক ‘আইইএলটিএস পার্টনারস মিট ২০২৫’ অনুষ্ঠিত

বিপিএলের নিলাম শেষে এনসিএলে ঝলক: দল না পাওয়া ব্যাটাররা সেঞ্চুরিতে, আলোচনায় বৈপরীত্য

#
news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।

স্পোর্টস ডেস্ক

২-১২-২০২৫ রাত ১২:১৫

news image

বিপিএলের নিলাম শেষ হয়েছে মাত্র একদিন আগে। কে কত দামে বিক্রি হলেন—সেটি ছিল দিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু এনসিএলের মাঠ দেখাল সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। যারা বিপিএলে দল পাননি, তারাই প্রথম আলো ছড়ালেন ঘরোয়া ক্রিকেটে।

সিলেটে সেঞ্চুরি করলেন দুই অনালোচিত ব্যাটার—অমিত হাসান ও আসাদুল্লাহ গালিব। আগের দিন সেঞ্চুরি করেছিলেন চট্টগ্রামের জিল্লুর রহমান বিজয়। তিনজনই বিপিএলের নিলামে দল পাননি।

অন্যদিকে যারা উচ্চমূল্যে দল পেয়েছেন, তাদের পারফরম্যান্স ছিল মিলেমিশে। চট্টগ্রাম রয়্যালসের আবু হায়দার রনি মারলেন ৯৭, রংপুর রাইডার্সের রকিবুল হাসানের ব্যাটে আসে ৫৫। তবে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার নিলাম মূল্য পাওয়া নাঈম শেখ সিলেটের হয়ে দুই ইনিংসে করেছেন ৮ ও ৪* রান।

কক্সবাজারে আলো কাড়লেন চট্টগ্রামের দুই পেসার—হাসান মাহমুদ ও ইরফান। রংপুরকে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে দিয়ে দেখালেন বিপিএলপ্রাপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিদের তাঁদের ওপর আস্থা বৃথা যায়নি।

মোয়মনসিংহের রনি ও রকিবুলের আক্রমণাত্মক ইনিংস, সিলেটে অমিত–গালিবের দীর্ঘ ব্যাটিং, খুলনায় ঢাকার দুই তরুণ ফয়সাল–জিশানের পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে নিলাম–দিনের পরদিনই এনসিএল যেন দেখিয়ে দিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিলামে আলোচনায় থাকা বড় নামের পাশাপাশি এনসিএলে উঠে আসা এই অনালোচিত পারফরমাররাই আগামী মৌসুমে বিপিএলের দলগুলোর নজর কাড়তে পারেন।