আওয়ামী লীগ সরকারের ‘সহযোগী’ দলগুলো এবার নতুন জোটে-কেন এখন, কেন ১৬ দল?
তানভীর সানি
৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৮
আওয়ামী লীগ সরকারের ‘সহযোগী’ দলগুলো এবার নতুন জোটে-কেন এখন, কেন ১৬ দল?
শেখ হাসিনার আমলে দীর্ঘদিন ‘সমর্থক’ বা ‘সহযোগী’ ভূমিকা পালন করা দলগুলোর বড় অংশ এবার নতুন এক রাজনৈতিক সমীকরণে এগিয়ে এসেছে। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বে ১৬ দলের ‘জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট’ গঠনের সিদ্ধান্তকে অনেকেই দেখছেন-জুলাই অভ্যুত্থানের পর নতুন ক্ষমতার কাঠামো ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর কৌশল হিসেবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জোটে দুই ধরনের দল রয়েছে-
১) আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দল, যারা গত চার–পাঁচ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করেই রাজনীতি করেছে।
২) জাপা–জেপির মতো দল, যারা সরকারি সুবিধা, মন্ত্রীত্ব ও জোট রাজনীতির কারণে আওয়ামী লীগের ছায়ায় থেকেছে।
এ কারণেই এই জোটকে অনেকেই বলছেন-আওয়ামী লীগ–পন্থী দলগুলোর নতুন অবস্থান গ্রহণের সূচনা।
মঞ্জু ও আনিসুল-দুজনই শেখ হাসিনার সাবেক মন্ত্রী
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ১৯৯৬ এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন।
ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমঝোতায় এমপি হন, ২০১৪ সালে ছিলেন মন্ত্রী, ২০২৪ সালে ছিলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা।
এই দুই নেতাই এখন নতুন জোটের কেন্দ্রীয় চালিকাশক্তি।
নতুন জোটের রাজনৈতিক বার্তা
ব্যারিস্টার আনিস সভায় বলেন—অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে বিভাজন বেড়েছে, এবং আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে কি না তা নিয়েও সংশয় আছে।
তাঁর বক্তব্যকে বিশ্লেষকেরা দেখছেন—নতুন রাজনৈতিক ত্রিমাত্রিক প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত হিসেবে:
-
বিএনপি–জামায়াত ধারা
-
আওয়ামী লীগ ধারা
-
নতুন ১৬–দলীয় জোট
কেন এখন?
জুলাইয়ের পরিবর্তনের পর ক্ষমতার কেন্দ্র বদলেছে। আওয়ামী লীগ আগের মতো নিয়ন্ত্রণে না থাকায় সহযোগী দলগুলো এখন নিজের অবস্থান নতুনভাবে সাজাচ্ছে—সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণের কথা মাথায় রেখে।
৬ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ—কাউকে টার্গেট?
জোটের ঘোষণাপত্রে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’—যা বিএনপির আদর্শের সঙ্গেও মিলে যায়—এর উল্লেখ অনেককে ভাবাচ্ছে।
আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ধর্মীয় সহাবস্থানের কথা বলায় জোটটি কেন্দ্র–ডান (center-right) রাজনৈতিক অবস্থান নিতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
তানভীর সানি
৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৮
শেখ হাসিনার আমলে দীর্ঘদিন ‘সমর্থক’ বা ‘সহযোগী’ ভূমিকা পালন করা দলগুলোর বড় অংশ এবার নতুন এক রাজনৈতিক সমীকরণে এগিয়ে এসেছে। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বে ১৬ দলের ‘জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক জোট’ গঠনের সিদ্ধান্তকে অনেকেই দেখছেন-জুলাই অভ্যুত্থানের পর নতুন ক্ষমতার কাঠামো ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর কৌশল হিসেবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জোটে দুই ধরনের দল রয়েছে-
১) আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দল, যারা গত চার–পাঁচ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করেই রাজনীতি করেছে।
২) জাপা–জেপির মতো দল, যারা সরকারি সুবিধা, মন্ত্রীত্ব ও জোট রাজনীতির কারণে আওয়ামী লীগের ছায়ায় থেকেছে।
এ কারণেই এই জোটকে অনেকেই বলছেন-আওয়ামী লীগ–পন্থী দলগুলোর নতুন অবস্থান গ্রহণের সূচনা।
মঞ্জু ও আনিসুল-দুজনই শেখ হাসিনার সাবেক মন্ত্রী
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ১৯৯৬ এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন।
ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমঝোতায় এমপি হন, ২০১৪ সালে ছিলেন মন্ত্রী, ২০২৪ সালে ছিলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা।
এই দুই নেতাই এখন নতুন জোটের কেন্দ্রীয় চালিকাশক্তি।
নতুন জোটের রাজনৈতিক বার্তা
ব্যারিস্টার আনিস সভায় বলেন—অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে বিভাজন বেড়েছে, এবং আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে কি না তা নিয়েও সংশয় আছে।
তাঁর বক্তব্যকে বিশ্লেষকেরা দেখছেন—নতুন রাজনৈতিক ত্রিমাত্রিক প্রতিযোগিতার ইঙ্গিত হিসেবে:
-
বিএনপি–জামায়াত ধারা
-
আওয়ামী লীগ ধারা
-
নতুন ১৬–দলীয় জোট
কেন এখন?
জুলাইয়ের পরিবর্তনের পর ক্ষমতার কেন্দ্র বদলেছে। আওয়ামী লীগ আগের মতো নিয়ন্ত্রণে না থাকায় সহযোগী দলগুলো এখন নিজের অবস্থান নতুনভাবে সাজাচ্ছে—সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণের কথা মাথায় রেখে।
৬ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ—কাউকে টার্গেট?
জোটের ঘোষণাপত্রে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’—যা বিএনপির আদর্শের সঙ্গেও মিলে যায়—এর উল্লেখ অনেককে ভাবাচ্ছে।
আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ধর্মীয় সহাবস্থানের কথা বলায় জোটটি কেন্দ্র–ডান (center-right) রাজনৈতিক অবস্থান নিতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।