এভারকেয়ারে খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে জামায়াত মহাসচিব—বিএনপি–জামায়াত রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেই সৌজন্যতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৩
এভারকেয়ারে খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে জামায়াত মহাসচিব—বিএনপি–জামায়াত রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেই সৌজন্যতা
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত সময়ের মধ্যেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এই সফরকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা ‘পরিস্থিতি নরম করার বার্তা’ অথবা ‘অপ্রকাশ্য যোগাযোগ পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত’ হিসেবে দেখছেন।
পরওয়ারের সঙ্গে ছিলেন জামায়াতের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও ঢাকা–১৭ আসনে দলটির প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান—যা সফরটিকে আনুষ্ঠানিক সৌজন্যতার চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
অপরদিকে, হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা—স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং শিমুল বিশ্বাস। দুই দলের নেতাদের একই স্থানে উপস্থিতি সাম্প্রতিক সময়ে খুব একটা দেখা যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরটি শুধু খোঁজখবর নেওয়ার সৌজন্য নয়; এটি ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক অ্যালায়েন্স, নির্বাচন–পরবর্তী সমীকরণ এবং বিরোধীদলীয় অবস্থান নিয়ে অনানুষ্ঠানিক ‘সফট ডিপ্লোমেসি’র একটি অংশ হতে পারে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৩
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত সময়ের মধ্যেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এই সফরকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা ‘পরিস্থিতি নরম করার বার্তা’ অথবা ‘অপ্রকাশ্য যোগাযোগ পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত’ হিসেবে দেখছেন।
পরওয়ারের সঙ্গে ছিলেন জামায়াতের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও ঢাকা–১৭ আসনে দলটির প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান—যা সফরটিকে আনুষ্ঠানিক সৌজন্যতার চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
অপরদিকে, হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা—স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং শিমুল বিশ্বাস। দুই দলের নেতাদের একই স্থানে উপস্থিতি সাম্প্রতিক সময়ে খুব একটা দেখা যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরটি শুধু খোঁজখবর নেওয়ার সৌজন্য নয়; এটি ভবিষ্যতের সম্ভাব্য রাজনৈতিক অ্যালায়েন্স, নির্বাচন–পরবর্তী সমীকরণ এবং বিরোধীদলীয় অবস্থান নিয়ে অনানুষ্ঠানিক ‘সফট ডিপ্লোমেসি’র একটি অংশ হতে পারে।