শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

ডাকসুর সিদ্ধান্ত: রাজনৈতিক প্রভাব ও শিক্ষাজগতের প্রতিক্রিয়া

#
news image

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) বুধবার (১২ নভেম্বর) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৯ সালের আজীবন সদস্যপদ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জানান, এটি ছিল অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক রেজুলেশন, যা গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে করা হয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডাকসুর এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাংগঠনিক নিয়মানুবর্তিতার অংশ নয়, বরং শিক্ষাজগতের রাজনৈতিক প্রভাব ও ছাত্রসংসদের স্বায়ত্তশাসনের দিকে একটি বার্তা দেয়। ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতি দেখিয়েছে, যে সিদ্ধান্তটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠক ও সংবিধান অনুসারে গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়, ২০১৯ সালের রেজুলেশনটি ছাত্র-জনতার বিপ্লব ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে গৃহীত হয়েছিল, যা দীর্ঘদিন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ডাকসুর বর্তমান সিদ্ধান্ত শিক্ষাজগত ও রাজনীতি উভয়ের মধ্যেই নতুন বিতর্ক ও আলোচনার সূচনা করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৩-১১-২০২৫ রাত ১২:৯

news image

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) বুধবার (১২ নভেম্বর) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৯ সালের আজীবন সদস্যপদ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম জানান, এটি ছিল অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক রেজুলেশন, যা গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে করা হয়েছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ডাকসুর এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সাংগঠনিক নিয়মানুবর্তিতার অংশ নয়, বরং শিক্ষাজগতের রাজনৈতিক প্রভাব ও ছাত্রসংসদের স্বায়ত্তশাসনের দিকে একটি বার্তা দেয়। ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতি দেখিয়েছে, যে সিদ্ধান্তটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠক ও সংবিধান অনুসারে গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়, ২০১৯ সালের রেজুলেশনটি ছাত্র-জনতার বিপ্লব ও রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে গৃহীত হয়েছিল, যা দীর্ঘদিন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। ডাকসুর বর্তমান সিদ্ধান্ত শিক্ষাজগত ও রাজনীতি উভয়ের মধ্যেই নতুন বিতর্ক ও আলোচনার সূচনা করেছে।