ক্রিসমাস ইভে ভাষণে পুতিনকে ইঙ্গিত করে ‘তার মৃত্যু হোক’ বললেন জেলেনস্কি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫-১২-২০২৫ রাত ১১:৫২
ক্রিসমাস ইভে ভাষণে পুতিনকে ইঙ্গিত করে ‘তার মৃত্যু হোক’ বললেন জেলেনস্কি
বড়দিনের আগের সন্ধ্যায় (ক্রিসমাস ইভ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইঙ্গিত করে কঠোর মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘এই রাতে স্বর্গের দরজা খুলে যায়। তাই আমরা প্রত্যেকে মনে মনে ভাবতে পারি—তার মৃত্যু হোক।’
ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন শান্তি চায় এবং সেই শান্তির জন্য দেশটি লড়াই করছে ও প্রার্থনা করছে। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা ইউক্রেনে শান্তি চাই। আমরা সেটির জন্য লড়াই করছি, প্রার্থনা করছি। আমরা সেটির যোগ্য।’
ভাষণের শেষাংশে তিনি আশা প্রকাশ করেন, কল্যাণ ও সত্যের জয় হবে এবং ইউক্রেন টিকে থাকবে। শান্তির বিজয় আসবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।
এদিকে বড়দিনের ছুটির আগমুহূর্তেও ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। সর্বশেষ গত মঙ্গলবারের হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং ১২ জন আহত হন। ওই হামলায় রাশিয়া অন্তত ৬৩৫টি ড্রোন ও ৩৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ।
জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার ফলে পশ্চিমাঞ্চলের রিভনে, তেরনোপিল ও খমেলনিতস্কি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫-১২-২০২৫ রাত ১১:৫২
বড়দিনের আগের সন্ধ্যায় (ক্রিসমাস ইভ) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইঙ্গিত করে কঠোর মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘এই রাতে স্বর্গের দরজা খুলে যায়। তাই আমরা প্রত্যেকে মনে মনে ভাবতে পারি—তার মৃত্যু হোক।’
ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন শান্তি চায় এবং সেই শান্তির জন্য দেশটি লড়াই করছে ও প্রার্থনা করছে। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা ইউক্রেনে শান্তি চাই। আমরা সেটির জন্য লড়াই করছি, প্রার্থনা করছি। আমরা সেটির যোগ্য।’
ভাষণের শেষাংশে তিনি আশা প্রকাশ করেন, কল্যাণ ও সত্যের জয় হবে এবং ইউক্রেন টিকে থাকবে। শান্তির বিজয় আসবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।
এদিকে বড়দিনের ছুটির আগমুহূর্তেও ইউক্রেনে হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। সর্বশেষ গত মঙ্গলবারের হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং ১২ জন আহত হন। ওই হামলায় রাশিয়া অন্তত ৬৩৫টি ড্রোন ও ৩৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ।
জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার ফলে পশ্চিমাঞ্চলের রিভনে, তেরনোপিল ও খমেলনিতস্কি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।