শিরোনামঃ
ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো গরুর রাখাল থেকে ব্যাংক দখলের দৌড়ে, ফের আলোচনায় লোকিত উল্লাহ নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত

#
news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৫-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।