শিরোনামঃ
রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায়?

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত

#
news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৫-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।