শিরোনামঃ
শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালাল ভারত

#
news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৫-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে মধ্যপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রটি গত মঙ্গলবার বঙ্গোপসাগরে ভারতের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাত থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে জানা গেছে, বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে পরিচালিত এই পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

ভারতীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে নৌভিত্তিক পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা আরও জোরদার হলো। কে-৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অগ্নি-৩ স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কে-৪ বর্তমানে ভারতের সর্বাধিক পাল্লার সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত অস্ত্র। এটি পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণের পর সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে রকেট ইঞ্জিন চালু করে আকাশে উড্ডয়ন করতে সক্ষম। প্রায় ২ দশমিক ৫ টন ওজনের পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।