শিরোনামঃ
শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত

জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মুখে পাকিস্তান–লিবিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি

#
news image

লিবিয়ার বিভক্ত রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় পাকিস্তানের সঙ্গে দেশটির লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) অস্ত্র ক্রয় চুক্তি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। জাতিসংঘের আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় কূটনৈতিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

রয়টার্স জানায়, চুক্তিতে স্থল, নৌ ও আকাশ—এই তিন ক্ষেত্রের সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের একজন জানান, সরঞ্জামগুলো প্রায় আড়াই বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে।

এলএনএর সরকারি মিডিয়া চ্যানেল রোববার এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এতে অস্ত্র ক্রয় ছাড়াও যৌথ প্রশিক্ষণ ও সামরিক উৎপাদনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আল-হাদাথ টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এলএনএর ডেপুটি কমান্ডার সাদ্দাম খলিফা হাফতার বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে কৌশলগত সামরিক সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো।”

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত। জাতিসংঘ-স্বীকৃত জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনইউ) পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করলেও হাফতারের এলএনএ পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ এলাকাগুলোর দখল ধরে রেখেছে।

এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি করেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে বাড়তি নজরদারি ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৪-১২-২০২৫ রাত ১২:২

news image

লিবিয়ার বিভক্ত রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় পাকিস্তানের সঙ্গে দেশটির লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) অস্ত্র ক্রয় চুক্তি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। জাতিসংঘের আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় কূটনৈতিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

রয়টার্স জানায়, চুক্তিতে স্থল, নৌ ও আকাশ—এই তিন ক্ষেত্রের সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের একজন জানান, সরঞ্জামগুলো প্রায় আড়াই বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে।

এলএনএর সরকারি মিডিয়া চ্যানেল রোববার এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এতে অস্ত্র ক্রয় ছাড়াও যৌথ প্রশিক্ষণ ও সামরিক উৎপাদনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আল-হাদাথ টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এলএনএর ডেপুটি কমান্ডার সাদ্দাম খলিফা হাফতার বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে কৌশলগত সামরিক সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো।”

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত। জাতিসংঘ-স্বীকৃত জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনইউ) পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করলেও হাফতারের এলএনএ পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ এলাকাগুলোর দখল ধরে রেখেছে।

এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি করেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে বাড়তি নজরদারি ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে।