শিরোনামঃ
রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায়?

জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মুখে পাকিস্তান–লিবিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি

#
news image

লিবিয়ার বিভক্ত রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় পাকিস্তানের সঙ্গে দেশটির লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) অস্ত্র ক্রয় চুক্তি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। জাতিসংঘের আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় কূটনৈতিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

রয়টার্স জানায়, চুক্তিতে স্থল, নৌ ও আকাশ—এই তিন ক্ষেত্রের সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের একজন জানান, সরঞ্জামগুলো প্রায় আড়াই বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে।

এলএনএর সরকারি মিডিয়া চ্যানেল রোববার এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এতে অস্ত্র ক্রয় ছাড়াও যৌথ প্রশিক্ষণ ও সামরিক উৎপাদনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আল-হাদাথ টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এলএনএর ডেপুটি কমান্ডার সাদ্দাম খলিফা হাফতার বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে কৌশলগত সামরিক সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো।”

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত। জাতিসংঘ-স্বীকৃত জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনইউ) পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করলেও হাফতারের এলএনএ পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ এলাকাগুলোর দখল ধরে রেখেছে।

এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি করেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে বাড়তি নজরদারি ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৪-১২-২০২৫ রাত ১২:২

news image

লিবিয়ার বিভক্ত রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় পাকিস্তানের সঙ্গে দেশটির লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) অস্ত্র ক্রয় চুক্তি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। জাতিসংঘের আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় কূটনৈতিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

রয়টার্স জানায়, চুক্তিতে স্থল, নৌ ও আকাশ—এই তিন ক্ষেত্রের সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের একজন জানান, সরঞ্জামগুলো প্রায় আড়াই বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হবে।

এলএনএর সরকারি মিডিয়া চ্যানেল রোববার এক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে। এতে অস্ত্র ক্রয় ছাড়াও যৌথ প্রশিক্ষণ ও সামরিক উৎপাদনের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আল-হাদাথ টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে এলএনএর ডেপুটি কমান্ডার সাদ্দাম খলিফা হাফতার বলেন, “পাকিস্তানের সঙ্গে কৌশলগত সামরিক সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো।”

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত। জাতিসংঘ-স্বীকৃত জাতীয় ঐক্য সরকার (জিএনইউ) পশ্চিমাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করলেও হাফতারের এলএনএ পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ এলাকাগুলোর দখল ধরে রেখেছে।

এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ত্র চুক্তি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি করেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে বাড়তি নজরদারি ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে।