৯ হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী আতঙ্কে, প্রয়োজনে দেশে ফেরানোর আহ্বান জেকেএসএর
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩-১২-২০২৫ রাত ১১:৫৮
৯ হাজার ভারতীয় শিক্ষার্থী আতঙ্কে, প্রয়োজনে দেশে ফেরানোর আহ্বান জেকেএসএর
বাংলাদেশে অধ্যয়নরত প্রায় ৯ হাজার ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থী বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও মানসিক চাপে রয়েছেন বলে দাবি করেছে জম্মু ও কাশ্মীর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএসএ)। সংগঠনটি বলছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতিও নেওয়া উচিত।
জেকেএসএর জাতীয় আহ্বায়ক নাসির খুয়েহামি বলেন, শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের কাছ থেকে নিয়মিত উদ্বেগজনক ফোনকল ও বার্তা পাচ্ছে সংগঠনটি। ঢাকায় অধ্যয়নরত কিছু শিক্ষার্থীকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য পরিচয় গোপন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা নির্দেশ করে।
তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এক ছাত্রনেতার মৃত্যু ও লিঞ্চিংয়ের ঘটনায় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী হোস্টেল ও বাসস্থানে কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। চলাচলে বিধিনিষেধ ও সহিংসতার আশঙ্কা তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সময়োচিত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হলে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে এবং ভারতে থাকা উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩-১২-২০২৫ রাত ১১:৫৮
বাংলাদেশে অধ্যয়নরত প্রায় ৯ হাজার ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থী বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও মানসিক চাপে রয়েছেন বলে দাবি করেছে জম্মু ও কাশ্মীর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএসএ)। সংগঠনটি বলছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতিও নেওয়া উচিত।
জেকেএসএর জাতীয় আহ্বায়ক নাসির খুয়েহামি বলেন, শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের কাছ থেকে নিয়মিত উদ্বেগজনক ফোনকল ও বার্তা পাচ্ছে সংগঠনটি। ঢাকায় অধ্যয়নরত কিছু শিক্ষার্থীকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য পরিচয় গোপন রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা নির্দেশ করে।
তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এক ছাত্রনেতার মৃত্যু ও লিঞ্চিংয়ের ঘটনায় শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী হোস্টেল ও বাসস্থানে কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। চলাচলে বিধিনিষেধ ও সহিংসতার আশঙ্কা তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সময়োচিত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হলে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে এবং ভারতে থাকা উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।