রায়ের দিন আদালত থেকে পালানোর অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০-১২-২০২৫ বিকাল ৭:৫২
রায়ের দিন আদালত থেকে পালানোর অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধে উত্তেজনা
রাজধানীর কদমতলী এলাকায় পারিবারিক জমি–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মামলার রায় ঘোষণার দিন আদালত চত্বর থেকে সরে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামলার বাদী হাবিবুর রহমান পুতুলের বিরুদ্ধে। তাঁর ভাতিজা শান্ত ও পরিবারের দাবি- এ ঘটনার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ৬ নভেম্বর ২০২৫। সেদিন সংশ্লিষ্ট আদালত উভয় পক্ষকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিলেও রায় ঘোষণার আগে–পরে হাবিবুর রহমান আদালত এলাকায় ছিলেন না বলে জানান শান্ত। আদালত–সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চাচা হাবিবুর রহমান ভাতিজা শান্তর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে মামলা করেছিলেন। তবে শান্তের দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক এবং পারিবারিক সম্পত্তি দখলের কৌশল হিসেবে করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মামলার আগেই হাবিবুর রহমান তাঁর তিনটি দোকান ভেঙে ফেলেন এবং এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। দোকান ভাঙচুরের পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
শান্তর মামাতো ভাই শাহীন অভিযোগ করেন, হাবিবুর রহমান তাঁদের “ঘাটার চর এলাকার বাসায়” গিয়ে তাঁর দুই ছেলেকে মারধর, গালিগালাজ ও মেরে ফেলার হুমকি দেন। বিষয়টি কদমতলী থানায় লিখিতভাবে জানানোর পর পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেছে বলে শাহীন জানান।
এলাকাবাসীর ভাষ্যে, পারিবারিক সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরেই মামলা–মোকদ্দমায় জড়িত। অতীতেও তাঁর মামাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের বিরোধ ও মামলা হয়েছিল। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, তিনি কখনো ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়, আবার কখনো বিরোধী রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। এতে পরিবারসহ এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তপ্ত।
চাঁদপুরের লালদিয়া গ্রামে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আরেক দফা অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বড় বোন হোসনে আরার মৃত্যুর পর ভাগ্নেরা দাবি করেন, তাঁদের না জানিয়ে হাবিবুর দ্রুত দাফন সম্পন্ন করেন। শাহীন মিয়ার অভিযোগ, বোনের পেনশনের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যেই এমন তড়িঘড়ি দাফন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে হুমকি ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটে বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, কর্মস্থল থেকে তুলে নিয়ে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং তাঁর ছেলেকে মারধর করা হয়। এতে পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাবিবুর রহমান পুতুল বলেন,“আপনি সাংবাদিক হন বা প্রেসিডেন্ট, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। যে সন্তান নিজের মায়ের জানাজায় যায় না, তার বিষয়ে বলার কিছু নেই।”
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০-১২-২০২৫ বিকাল ৭:৫২
রাজধানীর কদমতলী এলাকায় পারিবারিক জমি–সংক্রান্ত পুরোনো বিরোধ নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মামলার রায় ঘোষণার দিন আদালত চত্বর থেকে সরে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামলার বাদী হাবিবুর রহমান পুতুলের বিরুদ্ধে। তাঁর ভাতিজা শান্ত ও পরিবারের দাবি- এ ঘটনার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ৬ নভেম্বর ২০২৫। সেদিন সংশ্লিষ্ট আদালত উভয় পক্ষকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিলেও রায় ঘোষণার আগে–পরে হাবিবুর রহমান আদালত এলাকায় ছিলেন না বলে জানান শান্ত। আদালত–সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চাচা হাবিবুর রহমান ভাতিজা শান্তর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে মামলা করেছিলেন। তবে শান্তের দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক এবং পারিবারিক সম্পত্তি দখলের কৌশল হিসেবে করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মামলার আগেই হাবিবুর রহমান তাঁর তিনটি দোকান ভেঙে ফেলেন এবং এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। দোকান ভাঙচুরের পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
শান্তর মামাতো ভাই শাহীন অভিযোগ করেন, হাবিবুর রহমান তাঁদের “ঘাটার চর এলাকার বাসায়” গিয়ে তাঁর দুই ছেলেকে মারধর, গালিগালাজ ও মেরে ফেলার হুমকি দেন। বিষয়টি কদমতলী থানায় লিখিতভাবে জানানোর পর পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেছে বলে শাহীন জানান।
এলাকাবাসীর ভাষ্যে, পারিবারিক সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরেই মামলা–মোকদ্দমায় জড়িত। অতীতেও তাঁর মামাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের বিরোধ ও মামলা হয়েছিল। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, তিনি কখনো ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়, আবার কখনো বিরোধী রাজনৈতিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। এতে পরিবারসহ এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তপ্ত।
চাঁদপুরের লালদিয়া গ্রামে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আরেক দফা অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বড় বোন হোসনে আরার মৃত্যুর পর ভাগ্নেরা দাবি করেন, তাঁদের না জানিয়ে হাবিবুর দ্রুত দাফন সম্পন্ন করেন। শাহীন মিয়ার অভিযোগ, বোনের পেনশনের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যেই এমন তড়িঘড়ি দাফন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালে হুমকি ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনাও ঘটে বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, কর্মস্থল থেকে তুলে নিয়ে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং তাঁর ছেলেকে মারধর করা হয়। এতে পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাবিবুর রহমান পুতুল বলেন,“আপনি সাংবাদিক হন বা প্রেসিডেন্ট, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। যে সন্তান নিজের মায়ের জানাজায় যায় না, তার বিষয়ে বলার কিছু নেই।”