শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

অর্থনীতিতে বড় অবদান, তবুও অভিবাসীরা রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রে

#
news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:২৪

news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।