শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

অর্থনীতিতে বড় অবদান, তবুও অভিবাসীরা রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রে

#
news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:২৪

news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।