শিরোনামঃ
ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো গরুর রাখাল থেকে ব্যাংক দখলের দৌড়ে, ফের আলোচনায় লোকিত উল্লাহ নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

অর্থনীতিতে বড় অবদান, তবুও অভিবাসীরা রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রে

#
news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:২৪

news image

অভিবাসীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের প্রকৃত ভূমিকা। শ্রমশক্তির প্রায় ১৯.২ শতাংশ অভিবাসী এবং উৎপাদন, পরিবহন, পরিষেবা ও নির্মাণখাতের বড় অংশই পরিচালিত হচ্ছে বিদেশি বংশোদ্ভূত কর্মীদের মাধ্যমে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ফরচুন ৫০০’ তালিকায় থাকা ৪৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাই অভিবাসী পরিবারের সন্তান। অ্যাপল, অ্যামাজন, ডোরড্যাশ—সবই অভিবাসীদের হাতে গড়া উদ্যোগ। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবন ও গবেষণাক্ষেত্রে যে ১৬ শতাংশ কর্মী ছিলেন, তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই ছিল অভিবাসী বংশোদ্ভূত।

তবুও ট্রাম্প প্রশাসন শরণার্থী পুনর্বাসন কর্মসূচি স্থগিত, ভিসা ফি বৃদ্ধি ও ব্যাপক বহিষ্কার কার্যক্রমের মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছে শ্রম বিভাগ। কৃষিখাতে বর্তমানে প্রায় ৬৮ শতাংশ শ্রমিকই বিদেশি বংশোদ্ভূত, যা নীতিগত কঠোরতায় ঝুঁকিতে পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভিবাসন সীমিত করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমশক্তি কমে যাবে—ফল হিসেবে উৎপাদন, পরিষেবা, এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে। পিটারসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণ বলছে, ১৩ লাখ থেকে ৮৩ লাখ অভিবাসী বহিষ্কার করলে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকৃত জিডিপি ৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

অভিবাসন আইন কঠোর করাকে ট্রাম্প প্রশাসন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির সাথে যুক্ত করলেও অর্থনীতিবিদদের অনেকেই মনে করেন, অভিবাসীরা উৎপাদনশীলতা বাড়ান, কর দেন এবং নতুন ব্যবসা তৈরি করেন—যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।