শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

রাফাহে নতুন উত্তেজনা, যুদ্ধবিরতি টলমল—গাজায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা

#
news image

 

গাজায় আগ্রাসন কি আবার নতুন মাত্রায় পৌঁছাতে যাচ্ছে? ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি সেই উদ্বেগই আরও জোরালো করেছে।

বুধবারের হামলার পর ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের পাঁচ সেনা আহত হয়েছে। পাল্টা হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনির মৃত্যু—যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। হামলাটি হয়েছে আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে, যা ইসরায়েল আগে ‘সেফ জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপদ এলাকায় হামলা যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পরও শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ায় মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়ানো এখন গাজা সংকটকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়গুলোর একটি হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হামাসের ‘চুক্তির প্রতি আনুগত্য’ এবং ইসরায়েলের ‘অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা’—দুই পক্ষের বিপরীত অবস্থান যুদ্ধবিরতি কোনোভাবেই টেকসই হতে দিচ্ছে না। ইসরায়েলের দাবি—বন্দি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। অন্যদিকে হামাস বলছে—তাদের ওপর আক্রমণ বন্ধ হলেই তারা সমন্বিত প্রক্রিয়ায় যেতে প্রস্তুত।

মধ্যস্থতাকারীরা এখন রাফাহ ক্রসিং খোলার বিষয়টি আলোচনায় রেখেছেন। কারণ সীমান্ত খোলা না গেলে মানবিক সহায়তা, আহত রোগী স্থানান্তর—সবই বাধাগ্রস্ত হবে।

বিশ্লেষণ বলছে, কাৎজের ‘অভিযান আরও দৃঢ় হবে’ মন্তব্য যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৫-১২-২০২৫ রাত ১২:১০

news image

 

গাজায় আগ্রাসন কি আবার নতুন মাত্রায় পৌঁছাতে যাচ্ছে? ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি সেই উদ্বেগই আরও জোরালো করেছে।

বুধবারের হামলার পর ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের পাঁচ সেনা আহত হয়েছে। পাল্টা হামলায় পাঁচ ফিলিস্তিনির মৃত্যু—যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। হামলাটি হয়েছে আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে, যা ইসরায়েল আগে ‘সেফ জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপদ এলাকায় হামলা যুদ্ধবিরতির বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পরও শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ায় মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়ানো এখন গাজা সংকটকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়গুলোর একটি হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হামাসের ‘চুক্তির প্রতি আনুগত্য’ এবং ইসরায়েলের ‘অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা’—দুই পক্ষের বিপরীত অবস্থান যুদ্ধবিরতি কোনোভাবেই টেকসই হতে দিচ্ছে না। ইসরায়েলের দাবি—বন্দি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। অন্যদিকে হামাস বলছে—তাদের ওপর আক্রমণ বন্ধ হলেই তারা সমন্বিত প্রক্রিয়ায় যেতে প্রস্তুত।

মধ্যস্থতাকারীরা এখন রাফাহ ক্রসিং খোলার বিষয়টি আলোচনায় রেখেছেন। কারণ সীমান্ত খোলা না গেলে মানবিক সহায়তা, আহত রোগী স্থানান্তর—সবই বাধাগ্রস্ত হবে।

বিশ্লেষণ বলছে, কাৎজের ‘অভিযান আরও দৃঢ় হবে’ মন্তব্য যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।