উত্তরবঙ্গ সীমান্তে অনুপ্রবেশ কমেছে, ফেরার প্রবণতা বেড়েছে: বিএসএফ আইজি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৫-১২-২০২৫ রাত ১২:৭
উত্তরবঙ্গ সীমান্তে অনুপ্রবেশ কমেছে, ফেরার প্রবণতা বেড়েছে: বিএসএফ আইজি
ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ কমলেও উল্টো বাংলাদেশিদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে বিএসএফের ৬১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি মুকেশ ত্যাগী জানান—সীমান্তে ‘এক্সফিলট্রেশন’ বৃদ্ধি পেয়েছে, অর্থাৎ বহু বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চাইছেন।
আইজি ত্যাগী বলেন—যারা ফিরতে ইচ্ছা প্রকাশ করছেন, তাদের পরিচয় ফিঙ্গার আইডেন্টিফিকেশন পোর্টাল দিয়ে যাচাই করে বিজিবির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক কয়েক মাসে ১৪৬ জন বাংলাদেশিকে এভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নতুন উচ্চতা বাড়ানো ফেন্সিং, ড্রোন নজরদারি, ক্যামেরা ও বাড়তি টহল সীমান্তকে আরও সুরক্ষিত করেছে। ফলে গবাদিপশু চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ আগের তুলনায় অনেক কমেছে।
তাঁর মতে, পুরোনো বেড়া কেটে বা টপকে যাওয়া সহজ ছিল, কিন্তু আধুনিক ফেন্সিং সেটি কঠিন করে দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এটিও জানান—বিএসএফ সদস্যদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের ফাঁদে ফেলার প্রবণতা এখন অনেক কম। সন্দেহজনক নম্বর বা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগ না দেওয়ার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতি সমন্বিত নীতির অংশ হিসেবে সীমান্তে নন-লিথাল অস্ত্র ব্যবহারের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আইজি ত্যাগী।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৫-১২-২০২৫ রাত ১২:৭
ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ কমলেও উল্টো বাংলাদেশিদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে বিএসএফের ৬১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইজি মুকেশ ত্যাগী জানান—সীমান্তে ‘এক্সফিলট্রেশন’ বৃদ্ধি পেয়েছে, অর্থাৎ বহু বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চাইছেন।
আইজি ত্যাগী বলেন—যারা ফিরতে ইচ্ছা প্রকাশ করছেন, তাদের পরিচয় ফিঙ্গার আইডেন্টিফিকেশন পোর্টাল দিয়ে যাচাই করে বিজিবির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক কয়েক মাসে ১৪৬ জন বাংলাদেশিকে এভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নতুন উচ্চতা বাড়ানো ফেন্সিং, ড্রোন নজরদারি, ক্যামেরা ও বাড়তি টহল সীমান্তকে আরও সুরক্ষিত করেছে। ফলে গবাদিপশু চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ আগের তুলনায় অনেক কমেছে।
তাঁর মতে, পুরোনো বেড়া কেটে বা টপকে যাওয়া সহজ ছিল, কিন্তু আধুনিক ফেন্সিং সেটি কঠিন করে দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি এটিও জানান—বিএসএফ সদস্যদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের ফাঁদে ফেলার প্রবণতা এখন অনেক কম। সন্দেহজনক নম্বর বা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগ না দেওয়ার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতি সমন্বিত নীতির অংশ হিসেবে সীমান্তে নন-লিথাল অস্ত্র ব্যবহারের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আইজি ত্যাগী।