শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

নগর সুশাসন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে একসাথে কাজ করছে জাইকা, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সুইজারল্যান্ড

#
news image

আজ (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক যৌথ কর্মশালার আয়োজন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ও সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোঅপারেশন (এসডিসি)। ‘নগর সুশাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ শীর্ষক এ কর্মশালায় বাংলাদেশের নগর সুশাসন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাস্তবমুখী সমাধান ও সম্যক ধারণার ওপরের আলোকপাত করা হয়।  

বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ণের প্রেক্ষাপটে নগর সুশাসন শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতের জন্য আরও স্মার্ট, বসবাসযোগ্য এবং সুবিধা ও অবকাঠামো সমৃদ্ধ শহর গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাইকা তাদের ক্যাপাসিটি ফর সিটিজ (সিফোরসি) কর্মসূচি ও এসডিসি’র ‘প্রবৃদ্ধি: লোকাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এলইডি)’ প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগের (এলজিডি) সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছে।

উভয় প্রকল্পই ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই অবস্থায় কর্মশালাটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য অভিজ্ঞতা বিনিময়, সাফল্য পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা অন্বেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। কর্মশালায় সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের অংশীজন, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও, অনুষ্ঠানটিতে অভিজ্ঞতা-বিনিময় সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারী শহরের প্রতিনিধিদের উপস্থাপনা, বাজেট প্রস্তুতকরণ, রাজস্ব বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নাগরিক সম্পৃক্ততা, ডিজিটাল রূপান্তর ও কর্মসম্পাদন সূচক নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, উভয় প্রকল্পের উদ্ভাবন ও অর্জনগুলো প্রদর্শনের জন্য একটি প্রদর্শনী গ্যালারিও স্থাপন করা হয়।

কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে, সিফোরসি প্রকল্পটি সিটি করপোরেশনগুলোর সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছে। এতে আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ও টুলসের মাধ্যমে কাজ করা হয়েছে, যাতে সহজে সেবা প্রদান ও জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ার উন্নয়ন করা যায়। আর এ পুরো বিষয়টি বার্ষিক সিটি গভর্নেন্স অ্যাসেসমেন্টের (সিজিএ) মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। একইভাবে, ‘প্রবৃদ্ধি’ প্রকল্পটি পৌর এলাকায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা পরিবেশ গড়ে তুলেছে এবং স্মার্ট অবকাঠামোর সমন্বয় সাধন করেছে, যার ফলাফল হিসেবে মিউনিসিপাল কম্পিটিটিভনেস ইনডেক্সের (এমসিআই) মতো টুল তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার এবং অংশীদারদের সাথে এ কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে জাইকা ও এসডিসি জাতীয় অগ্রাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষত এসডিজি ৯, ১১ ও ১৬ নম্বর লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘমেয়াদী নগর উন্নয়নে সহায়তার ক্ষেত্রে তাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

অনুষ্ঠানটি স্মার্ট, শক্তিশালী ও অধিক স্থিতিশীল নগর গঠনের লক্ষ্যে উদ্ভাবন ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে দেশজুড়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জোরালো আহ্বানের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিজ্ঞপ্তি

২৭-১১-২০২৫ রাত ১০:৩৬

news image

আজ (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক যৌথ কর্মশালার আয়োজন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ও সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোঅপারেশন (এসডিসি)। ‘নগর সুশাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ শীর্ষক এ কর্মশালায় বাংলাদেশের নগর সুশাসন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাস্তবমুখী সমাধান ও সম্যক ধারণার ওপরের আলোকপাত করা হয়।  

বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ণের প্রেক্ষাপটে নগর সুশাসন শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। ভবিষ্যতের জন্য আরও স্মার্ট, বসবাসযোগ্য এবং সুবিধা ও অবকাঠামো সমৃদ্ধ শহর গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাইকা তাদের ক্যাপাসিটি ফর সিটিজ (সিফোরসি) কর্মসূচি ও এসডিসি’র ‘প্রবৃদ্ধি: লোকাল ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (এলইডি)’ প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার বিভাগের (এলজিডি) সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছে।

উভয় প্রকল্পই ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই অবস্থায় কর্মশালাটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য অভিজ্ঞতা বিনিময়, সাফল্য পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা অন্বেষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। কর্মশালায় সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের অংশীজন, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও, অনুষ্ঠানটিতে অভিজ্ঞতা-বিনিময় সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারী শহরের প্রতিনিধিদের উপস্থাপনা, বাজেট প্রস্তুতকরণ, রাজস্ব বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নাগরিক সম্পৃক্ততা, ডিজিটাল রূপান্তর ও কর্মসম্পাদন সূচক নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, উভয় প্রকল্পের উদ্ভাবন ও অর্জনগুলো প্রদর্শনের জন্য একটি প্রদর্শনী গ্যালারিও স্থাপন করা হয়।

কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে, সিফোরসি প্রকল্পটি সিটি করপোরেশনগুলোর সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছে। এতে আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ও টুলসের মাধ্যমে কাজ করা হয়েছে, যাতে সহজে সেবা প্রদান ও জবাবদিহিতা প্রক্রিয়ার উন্নয়ন করা যায়। আর এ পুরো বিষয়টি বার্ষিক সিটি গভর্নেন্স অ্যাসেসমেন্টের (সিজিএ) মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। একইভাবে, ‘প্রবৃদ্ধি’ প্রকল্পটি পৌর এলাকায় স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা পরিবেশ গড়ে তুলেছে এবং স্মার্ট অবকাঠামোর সমন্বয় সাধন করেছে, যার ফলাফল হিসেবে মিউনিসিপাল কম্পিটিটিভনেস ইনডেক্সের (এমসিআই) মতো টুল তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার এবং অংশীদারদের সাথে এ কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে জাইকা ও এসডিসি জাতীয় অগ্রাধিকার ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষত এসডিজি ৯, ১১ ও ১৬ নম্বর লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘমেয়াদী নগর উন্নয়নে সহায়তার ক্ষেত্রে তাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

অনুষ্ঠানটি স্মার্ট, শক্তিশালী ও অধিক স্থিতিশীল নগর গঠনের লক্ষ্যে উদ্ভাবন ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে দেশজুড়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জোরালো আহ্বানের মাধ্যমে শেষ হয়।