শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯২ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৩৭০—গত বছরের তুলনায় পরিস্থিতি উন্নত

#
news image

চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ২১৭–এ পৌঁছেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু এবং ৬১৫ জনের নতুন ভর্তি পরিস্থিতিকে আবারও উদ্বেগে ফেলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।

গত এক দিনে ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী বরিশালে (৭৭) ও চট্টগ্রামে (৮৫) ভর্তি হয়েছে।

চলতি বছরে ইতিমধ্যে ৮৯ হাজার ৬৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

২০২৪ সালে সারাবছর মোট আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন। তুলনামূলকভাবে এবছর আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই কম হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুমি ওঠানামার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঝুঁকি রয়ে গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭-১১-২০২৫ রাত ১২:৩

news image

চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ২১৭–এ পৌঁছেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু এবং ৬১৫ জনের নতুন ভর্তি পরিস্থিতিকে আবারও উদ্বেগে ফেলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।

গত এক দিনে ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী বরিশালে (৭৭) ও চট্টগ্রামে (৮৫) ভর্তি হয়েছে।

চলতি বছরে ইতিমধ্যে ৮৯ হাজার ৬৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

২০২৪ সালে সারাবছর মোট আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন। তুলনামূলকভাবে এবছর আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই কম হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুমি ওঠানামার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঝুঁকি রয়ে গেছে।