শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯২ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৩৭০—গত বছরের তুলনায় পরিস্থিতি উন্নত

#
news image

চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ২১৭–এ পৌঁছেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু এবং ৬১৫ জনের নতুন ভর্তি পরিস্থিতিকে আবারও উদ্বেগে ফেলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।

গত এক দিনে ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী বরিশালে (৭৭) ও চট্টগ্রামে (৮৫) ভর্তি হয়েছে।

চলতি বছরে ইতিমধ্যে ৮৯ হাজার ৬৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

২০২৪ সালে সারাবছর মোট আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন। তুলনামূলকভাবে এবছর আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই কম হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুমি ওঠানামার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঝুঁকি রয়ে গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭-১১-২০২৫ রাত ১২:৩

news image

চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ২১৭–এ পৌঁছেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু এবং ৬১৫ জনের নতুন ভর্তি পরিস্থিতিকে আবারও উদ্বেগে ফেলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।

গত এক দিনে ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী বরিশালে (৭৭) ও চট্টগ্রামে (৮৫) ভর্তি হয়েছে।

চলতি বছরে ইতিমধ্যে ৮৯ হাজার ৬৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

২০২৪ সালে সারাবছর মোট আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন। তুলনামূলকভাবে এবছর আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই কম হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুমি ওঠানামার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঝুঁকি রয়ে গেছে।