শিরোনামঃ
ফ্রস্ট ব্লাস্ট দ্য হান্ড্রেড ২৬’-এর পর্দা তুললো ঢাকা মেভরিকস কিংবদন্তিদের বিশ্বমঞ্চে প্রথমবার 'বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস' ইফতার প্রস্তুতিতে নতুন আমেজ যোগ করছে আধুনিক কিচেন আপ্লায়েন্সেস শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯২ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ৩৭০—গত বছরের তুলনায় পরিস্থিতি উন্নত

#
news image

চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ২১৭–এ পৌঁছেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু এবং ৬১৫ জনের নতুন ভর্তি পরিস্থিতিকে আবারও উদ্বেগে ফেলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।

গত এক দিনে ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী বরিশালে (৭৭) ও চট্টগ্রামে (৮৫) ভর্তি হয়েছে।

চলতি বছরে ইতিমধ্যে ৮৯ হাজার ৬৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

২০২৪ সালে সারাবছর মোট আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন। তুলনামূলকভাবে এবছর আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই কম হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুমি ওঠানামার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঝুঁকি রয়ে গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭-১১-২০২৫ রাত ১২:৩

news image

চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৯২ হাজার ২১৭–এ পৌঁছেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু এবং ৬১৫ জনের নতুন ভর্তি পরিস্থিতিকে আবারও উদ্বেগে ফেলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৭০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।

গত এক দিনে ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী বরিশালে (৭৭) ও চট্টগ্রামে (৮৫) ভর্তি হয়েছে।

চলতি বছরে ইতিমধ্যে ৮৯ হাজার ৬৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

২০২৪ সালে সারাবছর মোট আক্রান্ত ছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন। তুলনামূলকভাবে এবছর আক্রান্ত ও মৃত্যু দুটোই কম হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মৌসুমি ওঠানামার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঝুঁকি রয়ে গেছে।