শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

ভর্তি বাতিলে রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদ ঝুঁকিতে, সিদ্ধান্ত নেবে সিন্ডিকেট

#
news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৯

news image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল ভর্তিতে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ভর্তি বাতিল করেছে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তার ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদও বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিল সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, “ছাত্রত্ব বাতিল হলে তার ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতা সাধারণ নীতিতে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে।” তবে নিয়ম অনুযায়ী জিএস পদের বৈধতা নির্ধারণে সিন্ডিকেটই সিদ্ধান্ত দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, “অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল শুধু ভর্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু ছাত্রত্ব না থাকলে ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়াই অবৈধ। ফলে পদটিও স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।”

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে রাশেদ খান ও সানাউল্লাহ হকের আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় রাব্বানীসহ তিনজনের এমফিল ভর্তির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।