শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

মিশন অস্ট্রেলিয়ার হাত ধরে নারী ফুটবল জাগরণের সঙ্গী হলো ইনফিনিক্স

#
news image

‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ অভিযানের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তরুণদের প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। দেশের নারী ফুটবল যত দ্রুত এগোচ্ছে, ইনফিনিক্সের এই অংশীদারিত্ব সেই যাত্রায় নতুন শক্তি যোগ করবে এবং মেয়েদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও আত্মবিশ্বাসীভাবে দাঁড়াতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের জন্য বড় একটি সুযোগ। এখানে তারা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে, কঠোর প্রস্তুতি নেবে এবং বিভিন্ন দেশের খেলার ধরন সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জন করবে। মাঠের খেলার বাইরে—এই সফর বাংলাদেশের নারী ফুটবলের উন্নতি ও পরিবর্তনের গল্পও সামনে নিয়ে আসবে। বিদেশে খেলার অভিজ্ঞতা খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং দেশের তরুণীদের খেলাধুলায় যুক্ত হতে উৎসাহ দেয় বলে ইনফিনিক্স মনে করে।

প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের মূলপর্বের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজের (বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, আজারবাইজান) টাইটেল স্পন্সর হিসেবেও যুক্ত হয়েছে ইনফিনিক্স। ২৬ নভেম্বর শুরু হওয়া এই সিরিজ দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির মঞ্চ। এখান থেকে খেলোয়াড়েরা ম্যাচ ফিটনেস, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার অভিজ্ঞতা পাবে—যা তাদের অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে মানসিক ও কারিগরি দিক থেকে আরও প্রস্তুত করবে।

ইনফিনিক্সের একজন মুখপাত্র বলেন, “মিশন অস্ট্রেলিয়া শুধু একটি সফর নয়—এটি দেশের নারী ফুটবলের সামনে এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথ। আমরা গর্বিত যে এই যাত্রায় বাংলাদেশের মেয়েদের পাশে থাকতে পারছি। আমাদের লক্ষ্য হলো তরুণদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিযোগিতার জন্য তাদের উৎসাহ দেওয়া।”

বাংলাদেশ নারী দল ধারাবাহিক উন্নতি, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের অন্যতম সফল ক্রীড়া দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সামনে থাকা আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো শুধু প্রতিযোগিতা নয়, বরং বিশ্বকে দেখানোর সুযোগ—বাংলাদেশের মেয়েরা কী করতে পারে। এই সময়ে ইনফিনিক্সের অংশীদারিত্ব নারীদের খেলাধুলায় বিনিয়োগকে দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনায় বিনিয়োগ হিসেবে তুলে ধরে।

‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ শুধু ম্যাচ নয়—এটি বাংলাদেশের নারীদের আত্মবিশ্বাস, সাহস ও সক্ষমতার আরও বড় পরিচয় হয়ে উঠছে। ইনফিনিক্স সেই যাত্রাকে শক্তিশালী করে তরুণীদের জন্য খেলাধুলায় নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে।

 

বিজ্ঞপ্তি

২৪-১১-২০২৫ রাত ১১:৩৩

news image

‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ অভিযানের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তরুণদের প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। দেশের নারী ফুটবল যত দ্রুত এগোচ্ছে, ইনফিনিক্সের এই অংশীদারিত্ব সেই যাত্রায় নতুন শক্তি যোগ করবে এবং মেয়েদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও আত্মবিশ্বাসীভাবে দাঁড়াতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের জন্য বড় একটি সুযোগ। এখানে তারা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে, কঠোর প্রস্তুতি নেবে এবং বিভিন্ন দেশের খেলার ধরন সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জন করবে। মাঠের খেলার বাইরে—এই সফর বাংলাদেশের নারী ফুটবলের উন্নতি ও পরিবর্তনের গল্পও সামনে নিয়ে আসবে। বিদেশে খেলার অভিজ্ঞতা খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং দেশের তরুণীদের খেলাধুলায় যুক্ত হতে উৎসাহ দেয় বলে ইনফিনিক্স মনে করে।

প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের মূলপর্বের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজের (বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, আজারবাইজান) টাইটেল স্পন্সর হিসেবেও যুক্ত হয়েছে ইনফিনিক্স। ২৬ নভেম্বর শুরু হওয়া এই সিরিজ দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির মঞ্চ। এখান থেকে খেলোয়াড়েরা ম্যাচ ফিটনেস, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার অভিজ্ঞতা পাবে—যা তাদের অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে মানসিক ও কারিগরি দিক থেকে আরও প্রস্তুত করবে।

ইনফিনিক্সের একজন মুখপাত্র বলেন, “মিশন অস্ট্রেলিয়া শুধু একটি সফর নয়—এটি দেশের নারী ফুটবলের সামনে এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথ। আমরা গর্বিত যে এই যাত্রায় বাংলাদেশের মেয়েদের পাশে থাকতে পারছি। আমাদের লক্ষ্য হলো তরুণদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিযোগিতার জন্য তাদের উৎসাহ দেওয়া।”

বাংলাদেশ নারী দল ধারাবাহিক উন্নতি, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের অন্যতম সফল ক্রীড়া দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সামনে থাকা আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো শুধু প্রতিযোগিতা নয়, বরং বিশ্বকে দেখানোর সুযোগ—বাংলাদেশের মেয়েরা কী করতে পারে। এই সময়ে ইনফিনিক্সের অংশীদারিত্ব নারীদের খেলাধুলায় বিনিয়োগকে দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনায় বিনিয়োগ হিসেবে তুলে ধরে।

‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ শুধু ম্যাচ নয়—এটি বাংলাদেশের নারীদের আত্মবিশ্বাস, সাহস ও সক্ষমতার আরও বড় পরিচয় হয়ে উঠছে। ইনফিনিক্স সেই যাত্রাকে শক্তিশালী করে তরুণীদের জন্য খেলাধুলায় নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে।