শিরোনামঃ
ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো গরুর রাখাল থেকে ব্যাংক দখলের দৌড়ে, ফের আলোচনায় লোকিত উল্লাহ নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

পাকিস্তানে ‘এক সেনাপ্রধানের’ যুগ? নতুন সংশোধনীতে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা

#
news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০-১১-২০২৫ রাত ১২:২৬

news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।