শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

পাকিস্তানে ‘এক সেনাপ্রধানের’ যুগ? নতুন সংশোধনীতে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা

#
news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০-১১-২০২৫ রাত ১২:২৬

news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।