শিরোনামঃ
শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত

পাকিস্তানে ‘এক সেনাপ্রধানের’ যুগ? নতুন সংশোধনীতে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা

#
news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০-১১-২০২৫ রাত ১২:২৬

news image

পাকিস্তানের সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী ঘিরে এক নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশটির সেনাপ্রধান হবেন একক সামরিক কর্তৃত্বের প্রতীক- যা ইতিহাসে প্রথম।

নতুন পদ ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ)’ গঠনের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান- তিন বাহিনী একক নেতৃত্বে আসবে। এতে বেসামরিক কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংস্কার শুধু কাঠামোগত নয়; এটি সামরিক রাজনীতির দিকেও এক বড় ইঙ্গিত বহন করছে। মানবাধিকার কর্মী শিরিন মাজারি সতর্ক করে বলেছেন, ‘যদি বিমান ও নৌবাহিনীর পদোন্নতি সেনাবাহিনীর হাতে যায়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষোভ সৃষ্টি করবে।’

সবচেয়ে বিতর্কিত ধারা হলো- পাঁচ তারকা অফিসারদের আজীবন সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া। এতে ফিল্ড মার্শালসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতির মতোই অব্যাহতি সুরক্ষা পাবেন। অনেকেই মনে করছেন, এটি মূলত জেনারেল আসিম মুনিরকে ফিল্ড মার্শাল হিসেবে স্থায়ী বৈধতা দিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

সমালোচকরা বলছেন, এই সংশোধনী বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানের সংবিধান ‘সেনা কর্তৃত্বের দলিল’ হয়ে উঠবে। ইতিহাস বলে, একবার সামরিক ক্ষমতা সংবিধানে ঢুকে গেলে তা আর সহজে বেসামরিক হাতে ফেরে না।