শিরোনামঃ
ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো গরুর রাখাল থেকে ব্যাংক দখলের দৌড়ে, ফের আলোচনায় লোকিত উল্লাহ নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ, তৃণমূলে অসন্তোষ চরমে

#
news image

ঝালকাঠি-২ (নলছিটি–ঝালকাঠি সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ইলেন ভূট্টোর নাম ঘোষণার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, দীর্ঘদিন মাঠে অনুপস্থিত এবং স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা একজনকে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণায় তারা হতাশ ও বিস্মিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দলের ঘোষিত প্রাথমিক তালিকায় ইলেন ভূট্টোর নাম আসার পর থেকেই ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো গত ১৬–১৭ বছর এলাকায় সক্রিয় ছিলেন না, অংশ নেননি কোনো দলীয় কর্মসূচিতে এবং স্থানীয় সংগঠনের সঙ্গে তার যোগাযোগও ছিল না।

একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা তৃণমূলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের প্রতি অবিচার। তারা দাবি করছেন, দলে যেসব নেতা বিগত বছরগুলোতে মামলা–হামলার শিকার হয়ে সংগঠন টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের উপেক্ষা করে ‘বহিরাগত’ কাউকে মনোনয়ন দিলে তা দলের ভোটব্যাংকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই এলাকা ত্যাগ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ আমলে তিনি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থেকে নিরাপদ জীবনযাপন করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা বা হামলার রেকর্ড নেই বলেও দাবি স্থানীয়দের।

দলীয় নেতাদের মতে, ঝালকাঠি-২ আসনে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা তৃণমূল নেতাদের মূল্যায়ন না করে যদি চূড়ান্ত মনোনয়ন বহিরাগত বা নিষ্ক্রিয় প্রার্থীর হাতে যায়, তাহলে মাঠপর্যায়ে বিভাজন সৃষ্টি হতে পারে এবং আসনটি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় একটি সূত্র জানায়, প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো নির্ধারিত হয়নি, তৃণমূলের মতামত বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে দল।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

৫-১১-২০২৫ বিকাল ৬:২২

news image

ঝালকাঠি-২ (নলছিটি–ঝালকাঠি সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ইলেন ভূট্টোর নাম ঘোষণার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, দীর্ঘদিন মাঠে অনুপস্থিত এবং স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা একজনকে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণায় তারা হতাশ ও বিস্মিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দলের ঘোষিত প্রাথমিক তালিকায় ইলেন ভূট্টোর নাম আসার পর থেকেই ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো গত ১৬–১৭ বছর এলাকায় সক্রিয় ছিলেন না, অংশ নেননি কোনো দলীয় কর্মসূচিতে এবং স্থানীয় সংগঠনের সঙ্গে তার যোগাযোগও ছিল না।

একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা তৃণমূলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের প্রতি অবিচার। তারা দাবি করছেন, দলে যেসব নেতা বিগত বছরগুলোতে মামলা–হামলার শিকার হয়ে সংগঠন টিকিয়ে রেখেছেন, তাদের উপেক্ষা করে ‘বহিরাগত’ কাউকে মনোনয়ন দিলে তা দলের ভোটব্যাংকে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাদের অভিযোগ, ইলেন ভূট্টো ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগেই এলাকা ত্যাগ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ আমলে তিনি রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় থেকে নিরাপদ জীবনযাপন করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা বা হামলার রেকর্ড নেই বলেও দাবি স্থানীয়দের।

দলীয় নেতাদের মতে, ঝালকাঠি-২ আসনে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা তৃণমূল নেতাদের মূল্যায়ন না করে যদি চূড়ান্ত মনোনয়ন বহিরাগত বা নিষ্ক্রিয় প্রার্থীর হাতে যায়, তাহলে মাঠপর্যায়ে বিভাজন সৃষ্টি হতে পারে এবং আসনটি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দলীয় একটি সূত্র জানায়, প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো নির্ধারিত হয়নি, তৃণমূলের মতামত বিবেচনায় নিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে দল।