শিরোনামঃ
আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প শিল্প-সাহিত্যপ্রেমী আবদুস সাদেক: ফরিদুর রেজা সাগর মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা বসুন্ধরা শুভসংঘের শিবপুরে সেলাই মেশিন বিতরণ ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো যোগ দিবস আবদুস সাদেকের প্রয়ানে নিভে গেল ক্রীড়াঙ্গনের আলো সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে, অর্থপাচার নিয়ে নতুন আলোচনা কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আবদুস সাদেকের প্রয়াণ চার মাস পর মূল্যায়ন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান বগুড়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও শিল্পায়ন নিয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বড় পদোন্নতি ঢেউ: ২৬৭ বিচারক হচ্ছেন জেলা জজ

#
news image

বিচারবিভাগে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সারাদেশের ২৬৭ বিচারককে জেলা জজ পদে উন্নীত করার অনুমোদন দিয়েছে ফুলকোর্ট সভা।

মঙ্গলবার বিকেল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা।

সভা সূত্র জানায়, শুধু জেলা জজ নয়, আরও দুই শতাধিক বিচারককে অতিরিক্ত জেলা জজ পদেও পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। পদোন্নতির এই ঢেউয়ে বিচারবিভাগে নতুন প্রাণ ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে আলোচনায় উঠে আসে বিতর্কিত রেইনট্রি মামলার জেলা জজ কামরুন্নাহারের বিষয়টিও। তাঁর বিচারিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখন জিএ কমিটির হাতে।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত ১১০৩ বিচারকের তালিকা যাচাই করে ফুলকোর্ট সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পরই পদোন্নতির প্রস্তাবটি পাঠানো হবে আইন মন্ত্রণালয়ে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৪-১১-২০২৫ রাত ১১:৫১

news image

বিচারবিভাগে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সারাদেশের ২৬৭ বিচারককে জেলা জজ পদে উন্নীত করার অনুমোদন দিয়েছে ফুলকোর্ট সভা।

মঙ্গলবার বিকেল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা।

সভা সূত্র জানায়, শুধু জেলা জজ নয়, আরও দুই শতাধিক বিচারককে অতিরিক্ত জেলা জজ পদেও পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। পদোন্নতির এই ঢেউয়ে বিচারবিভাগে নতুন প্রাণ ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে আলোচনায় উঠে আসে বিতর্কিত রেইনট্রি মামলার জেলা জজ কামরুন্নাহারের বিষয়টিও। তাঁর বিচারিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত এখন জিএ কমিটির হাতে।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত ১১০৩ বিচারকের তালিকা যাচাই করে ফুলকোর্ট সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এর পরই পদোন্নতির প্রস্তাবটি পাঠানো হবে আইন মন্ত্রণালয়ে।