শিরোনামঃ
শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত

জাকির নায়েক বিতর্কে কূটনৈতিক সুর: ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের নতুন পরীক্ষায়?

#
news image

বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েকের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ্য মন্তব্যের পর বিষয়টি বাংলাদেশের নজরে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

ভারতের পররাষ্ট্র মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “ড. নায়েক একজন পলাতক আসামি, যাকে নিয়ে ভারতের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ রয়েছে।” অপরদিকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, “আমরাও বিশ্বাস করি, কোনো দেশের অন্য দেশের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় দেশের অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে বিষয়টি কূটনৈতিক সংবেদনশীলতায় গড়িয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের অনুমতি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি।

পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞদের মতে, জাকির নায়েকের আগমন হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের এক সূক্ষ্ম পরীক্ষায় রূপ নিতে পারে। কারণ, ভারত তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযুক্ত করেছে, আর বাংলাদেশে তার রয়েছে বিপুল অনুসারী শ্রোতাগোষ্ঠী।

এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের মন্তব্য—“আমরা আমন্ত্রণ জানাইনি”—এটি ইঙ্গিত দেয়, সরকার এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থান নিচ্ছে।

সবশেষে, স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, ড. নায়েক সবকিছু ঠিক থাকলে ২৮ বা ২৯ নভেম্বর ঢাকায় আসতে পারেন। তবে সরকার অনুমোদন দিলে তবেই এই সফর বাস্তবায়িত হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১-১১-২০২৫ রাত ১১:১৩

news image

বিশিষ্ট ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েকের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ্য মন্তব্যের পর বিষয়টি বাংলাদেশের নজরে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

ভারতের পররাষ্ট্র মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “ড. নায়েক একজন পলাতক আসামি, যাকে নিয়ে ভারতের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ রয়েছে।” অপরদিকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, “আমরাও বিশ্বাস করি, কোনো দেশের অন্য দেশের অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় দেশের অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে বিষয়টি কূটনৈতিক সংবেদনশীলতায় গড়িয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের অনুমতি দিয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেনি।

পররাষ্ট্র বিশেষজ্ঞদের মতে, জাকির নায়েকের আগমন হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের এক সূক্ষ্ম পরীক্ষায় রূপ নিতে পারে। কারণ, ভারত তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযুক্ত করেছে, আর বাংলাদেশে তার রয়েছে বিপুল অনুসারী শ্রোতাগোষ্ঠী।

এদিকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের মন্তব্য—“আমরা আমন্ত্রণ জানাইনি”—এটি ইঙ্গিত দেয়, সরকার এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সতর্ক কূটনৈতিক অবস্থান নিচ্ছে।

সবশেষে, স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, ড. নায়েক সবকিছু ঠিক থাকলে ২৮ বা ২৯ নভেম্বর ঢাকায় আসতে পারেন। তবে সরকার অনুমোদন দিলে তবেই এই সফর বাস্তবায়িত হবে।