শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

আগেভাগে সংশোধিত বাজেট, সংকোচনের পথে সরকার—নির্বাচন কি কারণ?

#
news image

অর্থবছরের মাঝামাঝি নয়, এবার আগেভাগেই শুরু হলো সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া। সাধারণত মার্চে এই কাজ হয়, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন থাকায় সরকার এবার বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থ বিভাগ সোমবার যে পরিপত্র জারি করেছে, তাতে স্পষ্ট বার্তা—ব্যয় নয়, সাশ্রয়ই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

কৃচ্ছ্রসাধন নীতির আওতায় বিদেশ ভ্রমণ, নতুন গাড়ি বা জাহাজ কেনা, এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয়ও স্থগিত করা হয়েছে। তবে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় থাকবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকোচনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সরকারের রাজস্ব সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপে নেওয়া সতর্ক পদক্ষেপ। রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, ডলার বাজারের অস্থিরতা এবং বর্ধিত আমদানি ব্যয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমানো এখন সরকারের প্রধান কৌশল।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের মূল লক্ষ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ব্যয়বহুল কর্মসূচি বা বড় প্রকল্পে অর্থ ঢাললে জনগণের কাছে “অতিরিক্ত ব্যয়বহুল প্রশাসন” হিসেবে সমালোচনা হতে পারে—যা নির্বাচন পূর্ব সময়ে সরকার এড়াতে চায়।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্যও এটি সতর্কবার্তা—“অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করো, প্রয়োজনীয় খাতে মনোযোগ দাও।”

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮-১০-২০২৫ রাত ১২:৩৩

news image

অর্থবছরের মাঝামাঝি নয়, এবার আগেভাগেই শুরু হলো সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া। সাধারণত মার্চে এই কাজ হয়, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন থাকায় সরকার এবার বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থ বিভাগ সোমবার যে পরিপত্র জারি করেছে, তাতে স্পষ্ট বার্তা—ব্যয় নয়, সাশ্রয়ই এখন সরকারের অগ্রাধিকার।

কৃচ্ছ্রসাধন নীতির আওতায় বিদেশ ভ্রমণ, নতুন গাড়ি বা জাহাজ কেনা, এমনকি ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয়ও স্থগিত করা হয়েছে। তবে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় থাকবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকোচনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি সরকারের রাজস্ব সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপে নেওয়া সতর্ক পদক্ষেপ। রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, ডলার বাজারের অস্থিরতা এবং বর্ধিত আমদানি ব্যয়ের প্রেক্ষাপটে ব্যয় কমানো এখন সরকারের প্রধান কৌশল।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সরকারের মূল লক্ষ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ব্যয়বহুল কর্মসূচি বা বড় প্রকল্পে অর্থ ঢাললে জনগণের কাছে “অতিরিক্ত ব্যয়বহুল প্রশাসন” হিসেবে সমালোচনা হতে পারে—যা নির্বাচন পূর্ব সময়ে সরকার এড়াতে চায়।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্যও এটি সতর্কবার্তা—“অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করো, প্রয়োজনীয় খাতে মনোযোগ দাও।”