শিরোনামঃ
অমর অকুশে বইমেলায় বইপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয় অফার নিয়ে এসেছে ব্র্যাক ব্যাংক আজীবন সম্মাননা পেলেন বসুন্ধরার এমডি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বঙ্গবন্ধু বীচ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা  বীচ নামকরণ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালায় ড. নূরুন নবী, আজীবন মুক্তিযোদ্ধা" প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ার শো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে হামলা করে উল্টো মামলা দিয়ে চাকুরীচুত্যির চেষ্টা" শার্ক ট্যাংক বাংলাদেশ: কারা হলেন শার্ক? তৃতীয়বারের মতো ‘বাজুস ফেয়ার ২০২৪’ উদ্বোধন" আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব" সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাড়ীতে ভাঙচুর ও মামলা দিয়ে চাকরিচ্যুতির হুমকি " বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন, ড. ইউনূসকে নিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টে সংবাদ নয় বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী"

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব"

#
news image

পিঠা উৎসব আমাদের আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শীত এলেই ঘরে ঘরে শুরু হতো পিঠা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া আর নগরায়নের ফলে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী রকমারি পিঠা। বাঙালির এই পিঠা উৎসবের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে রাজধানীর আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে বনার্ঢ্য পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজ কর্তৃপক্ষ এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে হরেক রকমের পিঠার পসরা নিয়ে বিভিন্ন স্টল সাজান কলেজের শিক্ষার্থীরা। স্টলগুলোতে পুলি পিঠা, চিতাই পিঠা, ভাপা পিঠা, জামাই পিঠা, নকশি পিঠা, পাটিসাপটা, দুধ চিতই, গোলাপ পিঠা, ঝাল পিঠা, পদ্ম সেমাইসহ নাম না জানা অসংখ্য পিঠাপুলির আয়োজন ছিল।

সকাল ১০ টায় ফিতা কেটে পিঠা উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ও নার্সিংসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন, আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. আফিকুর রহমান, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলামসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

পিঠা উৎসবে বিভিন্ন ধরনের গ্রামীন পিঠা-পুলির পাশাপাশি ভারত, নেপাল, ভুটানসহ কয়েকটি দেশের পিঠা স্থান পায় স্টলগুলোতে। অতিথিরা প্রতিটি স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং পিঠার স্বাদ উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে আসা শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, পিঠা শুধু খাবার নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতি। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে বাঙালী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ুক সবার প্রাণে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ও নার্সিংসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, পিঠা উৎসব বাঙ্গালীদের হাজার বছরের সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে। আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ গ্রামের পিঠা-পুলির আমেজকে ফুটিয়ে তুলতে পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে। এই উৎসবের কারণে আমরা আমাদের গ্রামের সেই পিঠা-পুলির ঘ্রাণ নিতে পারছি-স্বাদ নিতে পারছি।

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান বলেন, শীত এলেই গ্রামে পিঠা-পুলির ধুম লেগে যেত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে তা খুব একটা দেখা মেলেনা। পিঠা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অঞ্চলের পিঠা-পুলি সম্পর্কে জানতে পারে। একইসাথে তাদের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন আরো সুদৃঢ় হয়।
পিঠা উৎসবে আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও ফাতেমা নার্সিং কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দর্শনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আবুল বারাকাত

৮-২-২০২৪ রাত ৮:১৪

news image

পিঠা উৎসব আমাদের আবহমান বাংলার ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি। বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শীত এলেই ঘরে ঘরে শুরু হতো পিঠা উৎসব। তবে আধুনিকতার ছোঁয়া আর নগরায়নের ফলে বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী রকমারি পিঠা। বাঙালির এই পিঠা উৎসবের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে রাজধানীর আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজে বনার্ঢ্য পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজ কর্তৃপক্ষ এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে হরেক রকমের পিঠার পসরা নিয়ে বিভিন্ন স্টল সাজান কলেজের শিক্ষার্থীরা। স্টলগুলোতে পুলি পিঠা, চিতাই পিঠা, ভাপা পিঠা, জামাই পিঠা, নকশি পিঠা, পাটিসাপটা, দুধ চিতই, গোলাপ পিঠা, ঝাল পিঠা, পদ্ম সেমাইসহ নাম না জানা অসংখ্য পিঠাপুলির আয়োজন ছিল।

সকাল ১০ টায় ফিতা কেটে পিঠা উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ও নার্সিংসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন, আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. আফিকুর রহমান, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল ইসলামসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

পিঠা উৎসবে বিভিন্ন ধরনের গ্রামীন পিঠা-পুলির পাশাপাশি ভারত, নেপাল, ভুটানসহ কয়েকটি দেশের পিঠা স্থান পায় স্টলগুলোতে। অতিথিরা প্রতিটি স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং পিঠার স্বাদ উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে আসা শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীরা উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, পিঠা শুধু খাবার নয়, এর সাথে জড়িয়ে আছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতি। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে বাঙালী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ুক সবার প্রাণে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ও নার্সিংসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, পিঠা উৎসব বাঙ্গালীদের হাজার বছরের সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে। আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ গ্রামের পিঠা-পুলির আমেজকে ফুটিয়ে তুলতে পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে। এই উৎসবের কারণে আমরা আমাদের গ্রামের সেই পিঠা-পুলির ঘ্রাণ নিতে পারছি-স্বাদ নিতে পারছি।

আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাহমুদা হাসান বলেন, শীত এলেই গ্রামে পিঠা-পুলির ধুম লেগে যেত। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে তা খুব একটা দেখা মেলেনা। পিঠা উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অঞ্চলের পিঠা-পুলি সম্পর্কে জানতে পারে। একইসাথে তাদের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন আরো সুদৃঢ় হয়।
পিঠা উৎসবে আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও ফাতেমা নার্সিং কলেজের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দর্শনার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।