শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

রংপুরে দাদন ব্যবসায়ীর হামলায় ১২পরিবার বাড়ি ছাড়া

#
news image

রংপুর মহানগরীর এক দাদন ব্যবসায়ীর হামলায় ১২ পরিবার বাড়ি ছাড়া হয়েছে। বাড়ি ছাড়া পরিবারের সদস্যরা সকলেই সদর হাসপাতাল কলোনির বাসিন্দা। 

শনিবার দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, 
দাদন ব্যবসায়ী হেমন্তি, টুটুল, তপন, রনজিত, জয়, রানা গং এর আক্রমণের  উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর  বাড়ি ফেরা ও নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। 

নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আক্রমণকারীদের  গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সদর হাসপাতাল হরিজন কলোনির উচ্ছেদের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন,
দীর্ঘদিন ধরে সদর হাসপাতাল কলোনিতে বসবাসরত পরিবারগুলো দাদন ব্যবসায়ী হেমন্তি রানীর দ্বারা নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে। তার কথা মতো চলতে হয়। 

সজনী রাণী বলেন, তার কথা মতো না চললে এলাকায় থাকা মুশকিল। আমার মায়ের কাছে সুদের টাকা পায়। সেই টাকার জন্য আমাকে মেরে এলাকা ছাড়া করেছে। 

সদর হাসপাতাল কলোনির সাবেক সভাপতি শাকিল বাসফোরের  মা জেবা রানী বলেন, সুদের টাকার জন্য যাকে তাকে মারধর করে, ঘরে তালা দেয়, নির্যাতন করে। এসবের প্রতিবাদ করলে মারধর করে। এর আগে, হামলায় বড় ছেলের মাথায় চেয়ার দিয়ে আঘাত করে মাথা ফেটে দেয়। ৩টি সেলাই পরেছে । তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ভয়ে এলাকায় থাকতে না পেরে বের হয়ে এসেছি। আমরা আইনের আশ্রয় নিলেও এখন পর্যন্ত কোন আইনি পদক্ষেপ দেখলাম না। আমার বাড়ি-ঘরে লুটপাট করা হয়েছে। 

আর এক ভুক্তভোগী রেখা রানী বলেন, ছেলে-মেয়েরা পছন্দ করে বিয়ে করলে সে  মোটা অংকের টাকা দাবি করে। না দিলে এলাকা ছাড়া হতে হয়।

 শুধু কী তাই,সামাজিক অনুষ্ঠানের নামে আমাদের উপর এভাবে নিপীড়ন করে। আমি এখনও বাড়ি ছাড়া। আমরা বাড়ি ছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। 

ভুক্তভোগী -রানী বাসফোড় দাবি করেন,অবিলম্বে দাদন ব্যবসায়ী হেমন্তি, টুটুল, তপন, রনজিত, জয়, রানা গং এর আক্রমণের  উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর  বাড়ি ফেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং  আক্রমণকারীদের  গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যেন প্রশাসন নিশ্চিত করে।

রংপুর প্রতিনিধি

১৮-১০-২০২৫ রাত ১১:৫

news image

রংপুর মহানগরীর এক দাদন ব্যবসায়ীর হামলায় ১২ পরিবার বাড়ি ছাড়া হয়েছে। বাড়ি ছাড়া পরিবারের সদস্যরা সকলেই সদর হাসপাতাল কলোনির বাসিন্দা। 

শনিবার দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, 
দাদন ব্যবসায়ী হেমন্তি, টুটুল, তপন, রনজিত, জয়, রানা গং এর আক্রমণের  উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর  বাড়ি ফেরা ও নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। 

নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আক্রমণকারীদের  গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সদর হাসপাতাল হরিজন কলোনির উচ্ছেদের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন,
দীর্ঘদিন ধরে সদর হাসপাতাল কলোনিতে বসবাসরত পরিবারগুলো দাদন ব্যবসায়ী হেমন্তি রানীর দ্বারা নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে। তার কথা মতো চলতে হয়। 

সজনী রাণী বলেন, তার কথা মতো না চললে এলাকায় থাকা মুশকিল। আমার মায়ের কাছে সুদের টাকা পায়। সেই টাকার জন্য আমাকে মেরে এলাকা ছাড়া করেছে। 

সদর হাসপাতাল কলোনির সাবেক সভাপতি শাকিল বাসফোরের  মা জেবা রানী বলেন, সুদের টাকার জন্য যাকে তাকে মারধর করে, ঘরে তালা দেয়, নির্যাতন করে। এসবের প্রতিবাদ করলে মারধর করে। এর আগে, হামলায় বড় ছেলের মাথায় চেয়ার দিয়ে আঘাত করে মাথা ফেটে দেয়। ৩টি সেলাই পরেছে । তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ভয়ে এলাকায় থাকতে না পেরে বের হয়ে এসেছি। আমরা আইনের আশ্রয় নিলেও এখন পর্যন্ত কোন আইনি পদক্ষেপ দেখলাম না। আমার বাড়ি-ঘরে লুটপাট করা হয়েছে। 

আর এক ভুক্তভোগী রেখা রানী বলেন, ছেলে-মেয়েরা পছন্দ করে বিয়ে করলে সে  মোটা অংকের টাকা দাবি করে। না দিলে এলাকা ছাড়া হতে হয়।

 শুধু কী তাই,সামাজিক অনুষ্ঠানের নামে আমাদের উপর এভাবে নিপীড়ন করে। আমি এখনও বাড়ি ছাড়া। আমরা বাড়ি ছাড়া হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি। 

ভুক্তভোগী -রানী বাসফোড় দাবি করেন,অবিলম্বে দাদন ব্যবসায়ী হেমন্তি, টুটুল, তপন, রনজিত, জয়, রানা গং এর আক্রমণের  উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর  বাড়ি ফেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং  আক্রমণকারীদের  গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যেন প্রশাসন নিশ্চিত করে।