শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

চট্টগ্রাম পোশাক কারখানার আগুন, চার ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি

#
news image

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (সিইপিজেড) অবস্থিত ‘অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড’-এর পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে আগুন লাগার পর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগুনের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কারখানাটিতে বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও সিইপিজেডের সেনা টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক জসিম উদ্দিন বলেন, “প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আগুন এখন নিচতলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে, এবং আশপাশের ভবনেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “আমরা অন্তত ২৫ জন শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করেছি। তবে আগুনের তীব্রতার কারণে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।”

চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, “প্রায় ৮০০ শ্রমিক-কর্মকর্তা ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন। সবাই দ্রুত বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা নিখোঁজের খবর পাওয়া যায়নি।”

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আটতলা ভবনটির অষ্টম তলায় প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা সপ্তম ও ষষ্ঠ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে সিইপিজেড, বন্দর, কেইপিজেড ও আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আরও ৯টি ইউনিট যুক্ত হয়। সর্বশেষ মোট ১৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও শিল্প পুলিশের সদস্যরা আগুন কবলিত ভবনের চারপাশে অবস্থান নিয়েছেন। নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরাও ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছেন। তবে রাত পর্যন্ত আগুনের তীব্রতা কমেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

১৬-১০-২০২৫ রাত ৯:৫

news image

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (সিইপিজেড) অবস্থিত ‘অ্যাডামস ক্যাপ অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড’-এর পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে আগুন লাগার পর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগুনের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কারখানাটিতে বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও সিইপিজেডের সেনা টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক জসিম উদ্দিন বলেন, “প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। আগুন এখন নিচতলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে, এবং আশপাশের ভবনেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “আমরা অন্তত ২৫ জন শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করেছি। তবে আগুনের তীব্রতার কারণে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।”

চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, “প্রায় ৮০০ শ্রমিক-কর্মকর্তা ওই কারখানায় কর্মরত ছিলেন। সবাই দ্রুত বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা নিখোঁজের খবর পাওয়া যায়নি।”

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আটতলা ভবনটির অষ্টম তলায় প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা সপ্তম ও ষষ্ঠ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে সিইপিজেড, বন্দর, কেইপিজেড ও আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আরও ৯টি ইউনিট যুক্ত হয়। সর্বশেষ মোট ১৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও শিল্প পুলিশের সদস্যরা আগুন কবলিত ভবনের চারপাশে অবস্থান নিয়েছেন। নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরাও ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছেন। তবে রাত পর্যন্ত আগুনের তীব্রতা কমেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।