শিরোনামঃ
সংবিধান সংস্কার: সমঝোতা, নাকি রাজপথের চাপ? রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু

ফেব্রুয়ারিতেই ভোট, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে জোর প্রধান উপদেষ্টার

#
news image

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ফেব্রুয়ারিতেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠকে তিনি বলেন, “নির্বাচন শুধু সময়মতোই নয়, উৎসবমুখর পরিবেশেও হবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্য নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে চলমান জল্পনা-কল্পনা প্রশমিত করবে। তবে ‘জুলাই সনদ’-এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ড. ইউনূস জানান, সব রাজনৈতিক দলকে ‘জুলাই সনদ’-এর কপি দেওয়া হবে এবং এটি সমাজে প্রচার করে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সনদে উত্থাপিত সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নই আগামী নির্বাচনের পরিবেশ নির্ধারণে মূল চাবিকাঠি হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যে ছয়টি কমিশন গঠন করে। এসব কমিশনের সুপারিশ থেকেই ‘জুলাই সনদ’-এর রূপরেখা তৈরি হয়, যা বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৫-১০-২০২৫ রাত ৯:০

news image

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ফেব্রুয়ারিতেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠকে তিনি বলেন, “নির্বাচন শুধু সময়মতোই নয়, উৎসবমুখর পরিবেশেও হবে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্য নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে চলমান জল্পনা-কল্পনা প্রশমিত করবে। তবে ‘জুলাই সনদ’-এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কেমন হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ড. ইউনূস জানান, সব রাজনৈতিক দলকে ‘জুলাই সনদ’-এর কপি দেওয়া হবে এবং এটি সমাজে প্রচার করে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সনদে উত্থাপিত সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নই আগামী নির্বাচনের পরিবেশ নির্ধারণে মূল চাবিকাঠি হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যে ছয়টি কমিশন গঠন করে। এসব কমিশনের সুপারিশ থেকেই ‘জুলাই সনদ’-এর রূপরেখা তৈরি হয়, যা বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।