গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৭-১-২০২৬ দুপুর ১০:১৩
গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনায় সমর্থন না দেয়া দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত না হলে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন।” তবে কোন দেশ বা কত হারে শুল্ক আরোপ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
ট্রাম্প ভেনিজুয়েলার উদাহরণ টেনে ডেনমার্ককে কার্যত সতর্ক করেছেন এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এর জবাবে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সামরিক সদস্যরা শুক্রবার গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছান। ডেনমার্কের অনুরোধে সীমিত সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে তারা। উত্তেজনা কমাতে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরাও ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
ফক্স নিউজকে সাক্ষাৎকারে মার্কিন বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি বলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে চুক্তি হওয়া উচিত এবং শেষ পর্যন্ত তা হবেই। ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, বিষয়টি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে। তিনি আগামী মার্চে গ্রিনল্যান্ড সফরেরও পরিকল্পনা করছেন।
তবে, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ হলে তা “রাজনৈতিক বিপর্যয়” হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনা মোতায়েনে তার দেশ অংশ নেবে না, যা ন্যাটোর ভবিষ্যত নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৭-১-২০২৬ দুপুর ১০:১৩
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনায় সমর্থন না দেয়া দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত না হলে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন।” তবে কোন দেশ বা কত হারে শুল্ক আরোপ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
ট্রাম্প ভেনিজুয়েলার উদাহরণ টেনে ডেনমার্ককে কার্যত সতর্ক করেছেন এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের ইঙ্গিতও দিয়েছেন। এর জবাবে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সামরিক সদস্যরা শুক্রবার গ্রিনল্যান্ডে পৌঁছান। ডেনমার্কের অনুরোধে সীমিত সংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে তারা। উত্তেজনা কমাতে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরাও ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
ফক্স নিউজকে সাক্ষাৎকারে মার্কিন বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি বলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে চুক্তি হওয়া উচিত এবং শেষ পর্যন্ত তা হবেই। ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, বিষয়টি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে। তিনি আগামী মার্চে গ্রিনল্যান্ড সফরেরও পরিকল্পনা করছেন।
তবে, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ হলে তা “রাজনৈতিক বিপর্যয়” হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনা মোতায়েনে তার দেশ অংশ নেবে না, যা ন্যাটোর ভবিষ্যত নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।