শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব ২০২৬ বিশ্ব চলচ্চিত্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সৃজনশীল সংলাপ

#
news image

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে আন্তর্জাতিক সংযোগ, শিল্পমানের উৎকর্ষ এবং স্বাধীন ও বিকল্প ধারার চলচ্চিত্রচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই একটি মর্যাদাপূর্ণ ও প্রভাবশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃত। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এর ২৪তম আসর, যা আবারও প্রমাণ করছে—বিশ্ব চলচ্চিত্র মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ক্রমশ আরও দৃঢ়, গভীর ও সম্মানজনক হয়ে উঠছে।

পটভূমি ও উৎসবের দর্শন

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মূল লক্ষ্য কেবল পুরস্কার প্রদান নয়; বরং চলচ্চিত্রকে একটি মানবিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংলাপের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। 

*উৎসবের প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো*—

স্বাধীন ও বিকল্প ধারার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও মূল্যায়নের মঞ্চ তৈরি

মানবিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ভিত্তিক চলচ্চিত্র বিশ্বদর্শকের সামনে তুলে ধরা

নবীন ও উদীয়মান নির্মাতা ও প্রযোজকদের উৎসাহ ও স্বীকৃতি প্রদান

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিকে শক্তভাবে উপস্থাপন

এই উৎসব একটি প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনের গণ্ডি ছাড়িয়ে একটি চিন্তাশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে, যেখানে চলচ্চিত্র হয়ে উঠেছে প্রতিবাদ, দর্শন ও মানবিক মূল্যবোধের ভাষা।

*আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও বৈচিত্র্য* 

২৪তম আসরে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নিচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র এবং পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র। বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক বাস্তবতার প্রতিনিধিত্বকারী এসব চলচ্চিত্রের সম্মিলিত প্রদর্শনী উৎসবটিকে রূপ দিয়েছে এক বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

বিচার প্রক্রিয়া ও পুরস্কার

দেশি-বিদেশি খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা, গবেষক ও সমালোচকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড চলচ্চিত্রগুলো মূল্যায়ন করবেন।

*সাধারণত যে বিভাগগুলোতে পুরস্কার প্রদান করা হয়—* 

সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 

সেরা প্রামাণ্যচিত্র

সেরা পরিচালক

মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধে বিশেষ পুরস্কার

মূল্যায়নের ক্ষেত্রে গল্প, নির্মাণশৈলী, সামাজিক প্রাসঙ্গিকতা, নান্দনিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। 

*সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকদের বক্তব্য* 

গতকাল ৮ জানুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের আয়োজকরা জানান, 

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বাণিজ্যিক চাপের বাইরে থেকে মানবিক গল্প, সামাজিক বাস্তবতা ও প্রতিবাদী কণ্ঠ তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন—

আহমেদ মোস্তফা জামাল (উৎসব পরিচালক),

কিশওয়ার কামাল (চেয়ারপারসন,উৎসব কমিটি)।

তারা বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করুক। এবারের আসরে নবীন নির্মাতাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা দেশের স্বাধীন চলচ্চিত্রচর্চার অগ্রগতির একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ইডিথ কাদুয়ায়া (ফিলিপিন)সহ অন্যান্য অতিথিরা।

*উৎসবের সময়সূচি ও উদ্বোধনী আয়োজন* 

বক্তারা জানান, ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব আগামী ১০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১০ জানুয়ারি (শনিবার) বিকাল ৪টায়,

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে।

*উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে* —

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

*বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—* 

ক্রোয়েশিয়ান-যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা আলেকজান্দ্রা মার্কোভিচ,

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা 

ইডিথ কাদুয়ায়া (ফিলিপিন),

বাংলাদেশে নিযুক্ত 

চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি-শিওপেং

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন

এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও উৎসব কমিটির নির্বাহী সদস্য জালাল আহমেদ।

*বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জন্য গুরুত্ব* 

এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব বাংলাদেশি নির্মাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জানালা হিসেবে কাজ করছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেক চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে, বিদেশি প্রযোজক ও পরিবেশকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এবং যৌথ প্রযোজনার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে।

চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক উদ্যোগ না থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র আন্দোলন আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারত না।

*সাংস্কৃতিক কূটনীতি ও সফট পাওয়ার* 

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব কেবল একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়; এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কূটনীতি ও সফট পাওয়ারের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। চলচ্চিত্রের ভাষার মাধ্যমে এই উৎসব বিশ্বদর্শকের সামনে তুলে ধরছে বাংলাদেশের সমাজ, মানুষ, ইতিহাস, সংগ্রাম ও মানবিক মূল্যবোধ।

*২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব ২০২৬ আবারও প্রমাণ করেছে*—চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়; এটি প্রতিবাদ, দর্শন, মানবিক সংলাপ ও সংস্কৃতির এক শক্তিশালী বাহন। এই উৎসবের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আরও দৃঢ়, মর্যাদাপূর্ণ ও প্রভাবশালী অবস্থানে পৌঁছাবে—এমনটাই আশা চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞ ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের।

শহিদুল ইসলাম খোকন

৯-১-২০২৬ রাত ১০:০

news image

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে আন্তর্জাতিক সংযোগ, শিল্পমানের উৎকর্ষ এবং স্বাধীন ও বিকল্প ধারার চলচ্চিত্রচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই একটি মর্যাদাপূর্ণ ও প্রভাবশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃত। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এর ২৪তম আসর, যা আবারও প্রমাণ করছে—বিশ্ব চলচ্চিত্র মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ক্রমশ আরও দৃঢ়, গভীর ও সম্মানজনক হয়ে উঠছে।

পটভূমি ও উৎসবের দর্শন

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মূল লক্ষ্য কেবল পুরস্কার প্রদান নয়; বরং চলচ্চিত্রকে একটি মানবিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংলাপের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। 

*উৎসবের প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো*—

স্বাধীন ও বিকল্প ধারার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও মূল্যায়নের মঞ্চ তৈরি

মানবিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ভিত্তিক চলচ্চিত্র বিশ্বদর্শকের সামনে তুলে ধরা

নবীন ও উদীয়মান নির্মাতা ও প্রযোজকদের উৎসাহ ও স্বীকৃতি প্রদান

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিকে শক্তভাবে উপস্থাপন

এই উৎসব একটি প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনের গণ্ডি ছাড়িয়ে একটি চিন্তাশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে, যেখানে চলচ্চিত্র হয়ে উঠেছে প্রতিবাদ, দর্শন ও মানবিক মূল্যবোধের ভাষা।

*আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ও বৈচিত্র্য* 

২৪তম আসরে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নিচ্ছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র এবং পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র। বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক বাস্তবতার প্রতিনিধিত্বকারী এসব চলচ্চিত্রের সম্মিলিত প্রদর্শনী উৎসবটিকে রূপ দিয়েছে এক বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

বিচার প্রক্রিয়া ও পুরস্কার

দেশি-বিদেশি খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা, গবেষক ও সমালোচকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড চলচ্চিত্রগুলো মূল্যায়ন করবেন।

*সাধারণত যে বিভাগগুলোতে পুরস্কার প্রদান করা হয়—* 

সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 

সেরা প্রামাণ্যচিত্র

সেরা পরিচালক

মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধে বিশেষ পুরস্কার

মূল্যায়নের ক্ষেত্রে গল্প, নির্মাণশৈলী, সামাজিক প্রাসঙ্গিকতা, নান্দনিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। 

*সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকদের বক্তব্য* 

গতকাল ৮ জানুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উৎসবের আয়োজকরা জানান, 

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বাণিজ্যিক চাপের বাইরে থেকে মানবিক গল্প, সামাজিক বাস্তবতা ও প্রতিবাদী কণ্ঠ তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন—

আহমেদ মোস্তফা জামাল (উৎসব পরিচালক),

কিশওয়ার কামাল (চেয়ারপারসন,উৎসব কমিটি)।

তারা বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করুক। এবারের আসরে নবীন নির্মাতাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা দেশের স্বাধীন চলচ্চিত্রচর্চার অগ্রগতির একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ইডিথ কাদুয়ায়া (ফিলিপিন)সহ অন্যান্য অতিথিরা।

*উৎসবের সময়সূচি ও উদ্বোধনী আয়োজন* 

বক্তারা জানান, ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব আগামী ১০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে ১০ জানুয়ারি (শনিবার) বিকাল ৪টায়,

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে।

*উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে* —

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

*বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন—* 

ক্রোয়েশিয়ান-যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা আলেকজান্দ্রা মার্কোভিচ,

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা 

ইডিথ কাদুয়ায়া (ফিলিপিন),

বাংলাদেশে নিযুক্ত 

চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি-শিওপেং

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন

এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও উৎসব কমিটির নির্বাহী সদস্য জালাল আহমেদ।

*বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জন্য গুরুত্ব* 

এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব বাংলাদেশি নির্মাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জানালা হিসেবে কাজ করছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেক চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে, বিদেশি প্রযোজক ও পরিবেশকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এবং যৌথ প্রযোজনার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে।

চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক উদ্যোগ না থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র আন্দোলন আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারত না।

*সাংস্কৃতিক কূটনীতি ও সফট পাওয়ার* 

ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব কেবল একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়; এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কূটনীতি ও সফট পাওয়ারের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। চলচ্চিত্রের ভাষার মাধ্যমে এই উৎসব বিশ্বদর্শকের সামনে তুলে ধরছে বাংলাদেশের সমাজ, মানুষ, ইতিহাস, সংগ্রাম ও মানবিক মূল্যবোধ।

*২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ও উৎসব ২০২৬ আবারও প্রমাণ করেছে*—চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়; এটি প্রতিবাদ, দর্শন, মানবিক সংলাপ ও সংস্কৃতির এক শক্তিশালী বাহন। এই উৎসবের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আরও দৃঢ়, মর্যাদাপূর্ণ ও প্রভাবশালী অবস্থানে পৌঁছাবে—এমনটাই আশা চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞ ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের।