৩২৫ ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ নেই, সংযোগ দিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ ইসির
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫-১-২০২৬ রাত ১২:৪৯
৩২৫ ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ নেই, সংযোগ দিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ ইসির
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎহীন ভোটকেন্দ্র। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত করা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে এখনো ৩২৫টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।
এ অবস্থায় দ্রুত এসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো ইসির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ৩২৫টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব, সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে দ্রুত সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎহীন ভোটকেন্দ্রের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে রাঙামাটি—৫১টি। এরপর বান্দরবান ৫০টি, কুড়িগ্রাম ৩৩টি, ভোলা ৩১টি, খাগড়াছড়ি ২২টি, সিরাজগঞ্জ ১৮টি এবং গাইবান্ধায় ১১টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ নেই।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫-১-২০২৬ রাত ১২:৪৯
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎহীন ভোটকেন্দ্র। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত করা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে এখনো ৩২৫টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।
এ অবস্থায় দ্রুত এসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো ইসির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত ৩২৫টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব, সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে দ্রুত সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎহীন ভোটকেন্দ্রের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে রাঙামাটি—৫১টি। এরপর বান্দরবান ৫০টি, কুড়িগ্রাম ৩৩টি, ভোলা ৩১টি, খাগড়াছড়ি ২২টি, সিরাজগঞ্জ ১৮টি এবং গাইবান্ধায় ১১টি ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ নেই।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।