শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

মাদুরোকে আটক: জাতিসংঘ সনদের চরম লঙ্ঘন বলছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা

#
news image

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীকভাবে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকালে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের প্রায় সবাই একমত—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ সনদের সরাসরি পরিপন্থি। এরই মধ্যে রাশিয়া, চীন, ইরানসহ একাধিক দেশ এ ঘটনায় কড়া নিন্দা জানিয়েছে। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর মুখপাত্র সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের হামলা বিশ্বে বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযানে ‘আত্মরক্ষা’র যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।

ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান এবং সিয়েরা লিওনের জাতিসংঘ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিওফ্রে রবার্টসন কেসি বলেন, ভেনেজুয়েলায় এই হামলা জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল এ ধরনের আগ্রাসনকে ‘সর্বোচ্চ অপরাধ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

কিংস্টন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক আইন অধ্যাপক এলভিরা ডোমিঙ্গুয়েজ-রেডন্ডোও এই অভিযানকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে শক্তির বেআইনি ব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৫-১-২০২৬ রাত ১২:৪৫

news image

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীকভাবে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার সকালে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের প্রায় সবাই একমত—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত জাতিসংঘ সনদের সরাসরি পরিপন্থি। এরই মধ্যে রাশিয়া, চীন, ইরানসহ একাধিক দেশ এ ঘটনায় কড়া নিন্দা জানিয়েছে। গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। তাঁর মুখপাত্র সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের হামলা বিশ্বে বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযানে ‘আত্মরক্ষা’র যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই।

ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্সের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান এবং সিয়েরা লিওনের জাতিসংঘ যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিওফ্রে রবার্টসন কেসি বলেন, ভেনেজুয়েলায় এই হামলা জাতিসংঘ সনদের ২(৪) অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল এ ধরনের আগ্রাসনকে ‘সর্বোচ্চ অপরাধ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

কিংস্টন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক আইন অধ্যাপক এলভিরা ডোমিঙ্গুয়েজ-রেডন্ডোও এই অভিযানকে অন্য দেশের বিরুদ্ধে শক্তির বেআইনি ব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।