শিরোনামঃ
সংবিধান সংস্কার: সমঝোতা, নাকি রাজপথের চাপ? রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা: উন্নতি ধীর, কিডনি জটিলতা নিয়ে উদ্বিগ্ন মেডিকেল বোর্ড

#
news image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে এবং তাঁর উন্নতি হচ্ছে খুবই ধীরে। দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতায় ভোগা সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে একটি সমস্যা নিয়ন্ত্রণে এলেই নতুন করে আরেকটি জটিলতা দেখা দিচ্ছে। মেডিকেল বোর্ডের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখন তাঁর কিডনির সমস্যা নিয়ে।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার বয়স এখন ৮০ বছর। আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি তিনি কিডনি, লিভার, ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছেন। অবস্থার অবনতি হলে ২৭ নভেম্বর তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় বোর্ডের এক চিকিৎসক 'সমকাল'কে জানান, "ম্যাডামের উন্নতি আছে। তবে আহামরি বলা যাবে না। এই দফায় তাঁর উন্নতি হচ্ছে খুবই ধীরগতিতে। লিভার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিডনি জটিলতায় বেশ ভুগছেন। কিডনির ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বর্ডার লাইন অতিক্রম করেছে বেশ আগেই। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখাই কষ্ট হচ্ছে। প্রতিনিয়ত ডায়ালাইসিস দিতে হচ্ছে।"

চিকিৎসক আরও জানান, সিসিইউতে অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে এবং প্রতিদিন নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সত্ত্বেও প্যারামিটারগুলো খারাপ না এলেও তাঁকে এখনো 'ঝুঁকিমুক্ত' বলা যাচ্ছে না। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন রাতে বৈঠকে বসে চিকিৎসার পরিবর্তন আনছে।

এদিকে, বোর্ডের একজন সদস্য নিশ্চিত করেছেন, শারীরিক অবস্থার কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বোর্ড আপাতত ভাবছে না।

অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে জানা গেছে, দেশে ফেরার পর থেকে খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান বোর্ডের কার্যক্রমে সশরীরে অংশ নিচ্ছেন এবং চিকিৎসার বিষয়গুলো সমন্বয় করছেন। তিনি দিনের বেশির ভাগ সময় শাশুড়ির শয্যাপাশে কাটান। তাঁর সঙ্গে সার্বক্ষণিক আছেন পুত্রবধূ শর্মিলা রহমান, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা ও স্টাফ রূপা আক্তার। ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার ও তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমাও সার্বক্ষণিক পাশে আছেন।

অন্যদিকে, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে ভাড়া করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি মঙ্গলবার আসছে না। শাহজালাল বিমানবন্দরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অপারেটর সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছে মঙ্গলবার ঢাকায় নামার জন্য অনুমোদিত স্লটটি বাতিলের আবেদন করেছে। এ নিয়ে খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা পঞ্চমবারের মতো পেছাল। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে তাঁর চিকিৎসক দলের ওপর।

 ডেস্ক রিপোর্ট

৯-১২-২০২৫ রাত ১১:২

news image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে এবং তাঁর উন্নতি হচ্ছে খুবই ধীরে। দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতায় ভোগা সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে একটি সমস্যা নিয়ন্ত্রণে এলেই নতুন করে আরেকটি জটিলতা দেখা দিচ্ছে। মেডিকেল বোর্ডের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখন তাঁর কিডনির সমস্যা নিয়ে।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার বয়স এখন ৮০ বছর। আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি তিনি কিডনি, লিভার, ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছেন। অবস্থার অবনতি হলে ২৭ নভেম্বর তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় বোর্ডের এক চিকিৎসক 'সমকাল'কে জানান, "ম্যাডামের উন্নতি আছে। তবে আহামরি বলা যাবে না। এই দফায় তাঁর উন্নতি হচ্ছে খুবই ধীরগতিতে। লিভার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিডনি জটিলতায় বেশ ভুগছেন। কিডনির ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বর্ডার লাইন অতিক্রম করেছে বেশ আগেই। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখাই কষ্ট হচ্ছে। প্রতিনিয়ত ডায়ালাইসিস দিতে হচ্ছে।"

চিকিৎসক আরও জানান, সিসিইউতে অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে এবং প্রতিদিন নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সত্ত্বেও প্যারামিটারগুলো খারাপ না এলেও তাঁকে এখনো 'ঝুঁকিমুক্ত' বলা যাচ্ছে না। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন রাতে বৈঠকে বসে চিকিৎসার পরিবর্তন আনছে।

এদিকে, বোর্ডের একজন সদস্য নিশ্চিত করেছেন, শারীরিক অবস্থার কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বোর্ড আপাতত ভাবছে না।

অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে জানা গেছে, দেশে ফেরার পর থেকে খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান বোর্ডের কার্যক্রমে সশরীরে অংশ নিচ্ছেন এবং চিকিৎসার বিষয়গুলো সমন্বয় করছেন। তিনি দিনের বেশির ভাগ সময় শাশুড়ির শয্যাপাশে কাটান। তাঁর সঙ্গে সার্বক্ষণিক আছেন পুত্রবধূ শর্মিলা রহমান, গৃহপরিচারিকা ফাতেমা ও স্টাফ রূপা আক্তার। ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার ও তাঁর স্ত্রী কানিজ ফাতেমাও সার্বক্ষণিক পাশে আছেন।

অন্যদিকে, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিতে ভাড়া করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি মঙ্গলবার আসছে না। শাহজালাল বিমানবন্দরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অপারেটর সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছে মঙ্গলবার ঢাকায় নামার জন্য অনুমোদিত স্লটটি বাতিলের আবেদন করেছে। এ নিয়ে খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা পঞ্চমবারের মতো পেছাল। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে তাঁর চিকিৎসক দলের ওপর।