শিরোনামঃ
ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো গরুর রাখাল থেকে ব্যাংক দখলের দৌড়ে, ফের আলোচনায় লোকিত উল্লাহ নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

জামায়াতের ‘জাতীয় সরকার’ বার্তা—নির্বাচনকে ঘিরে সমীকরণ বদলাবে কি?

#
news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—জামায়াত এককভাবে ২০০ আসন পেলেও জাতীয় সরকারই গঠন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা সরাসরি বিএনপির সাম্প্রতিক বিবৃতির পাল্টা রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপি জানিয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত ছাড়া সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার করা হবে। এর জবাবে জামায়াত বলছে—তারা কাউকেই বাদ দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, নির্বাচনের আগে এই অবস্থান বিএনপি–জামায়াত সম্পর্ক, জোটগত গণিত এবং মাঠ পর্যায়ের ভোট টানাপোড়েনে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের ধারণাকে সামনে রেখে জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

একই বৈঠকে নির্বাচন–গণভোট একদিনে করার ঝুঁকি, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গেও মত দেয় জামায়াত। “দুর্নীতি না করা ও সমান বিচার নিশ্চিত” করার শর্ত দিয়ে জাতীয় সরকারের বার্তা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের বক্তব্য—“নির্বাচনের সময় যারা টুপি পরে, তসবিহ হাতে ঘোরে—তারা ধর্ম ব্যবহার করে”—এ পর্যবেক্ষণও কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ৯টি ইউরোপীয় দেশের কূটনীতিক ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

৯-১২-২০২৫ রাত ১২:২২

news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—জামায়াত এককভাবে ২০০ আসন পেলেও জাতীয় সরকারই গঠন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা সরাসরি বিএনপির সাম্প্রতিক বিবৃতির পাল্টা রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপি জানিয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত ছাড়া সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার করা হবে। এর জবাবে জামায়াত বলছে—তারা কাউকেই বাদ দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, নির্বাচনের আগে এই অবস্থান বিএনপি–জামায়াত সম্পর্ক, জোটগত গণিত এবং মাঠ পর্যায়ের ভোট টানাপোড়েনে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের ধারণাকে সামনে রেখে জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

একই বৈঠকে নির্বাচন–গণভোট একদিনে করার ঝুঁকি, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গেও মত দেয় জামায়াত। “দুর্নীতি না করা ও সমান বিচার নিশ্চিত” করার শর্ত দিয়ে জাতীয় সরকারের বার্তা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের বক্তব্য—“নির্বাচনের সময় যারা টুপি পরে, তসবিহ হাতে ঘোরে—তারা ধর্ম ব্যবহার করে”—এ পর্যবেক্ষণও কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ৯টি ইউরোপীয় দেশের কূটনীতিক ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।