শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

জামায়াতের ‘জাতীয় সরকার’ বার্তা—নির্বাচনকে ঘিরে সমীকরণ বদলাবে কি?

#
news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—জামায়াত এককভাবে ২০০ আসন পেলেও জাতীয় সরকারই গঠন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা সরাসরি বিএনপির সাম্প্রতিক বিবৃতির পাল্টা রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপি জানিয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত ছাড়া সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার করা হবে। এর জবাবে জামায়াত বলছে—তারা কাউকেই বাদ দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, নির্বাচনের আগে এই অবস্থান বিএনপি–জামায়াত সম্পর্ক, জোটগত গণিত এবং মাঠ পর্যায়ের ভোট টানাপোড়েনে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের ধারণাকে সামনে রেখে জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

একই বৈঠকে নির্বাচন–গণভোট একদিনে করার ঝুঁকি, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গেও মত দেয় জামায়াত। “দুর্নীতি না করা ও সমান বিচার নিশ্চিত” করার শর্ত দিয়ে জাতীয় সরকারের বার্তা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের বক্তব্য—“নির্বাচনের সময় যারা টুপি পরে, তসবিহ হাতে ঘোরে—তারা ধর্ম ব্যবহার করে”—এ পর্যবেক্ষণও কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ৯টি ইউরোপীয় দেশের কূটনীতিক ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

৯-১২-২০২৫ রাত ১২:২২

news image

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—জামায়াত এককভাবে ২০০ আসন পেলেও জাতীয় সরকারই গঠন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা সরাসরি বিএনপির সাম্প্রতিক বিবৃতির পাল্টা রাজনৈতিক বার্তা। বিএনপি জানিয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে জামায়াত ছাড়া সব দলকে নিয়ে জাতীয় সরকার করা হবে। এর জবাবে জামায়াত বলছে—তারা কাউকেই বাদ দেবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বলছে, নির্বাচনের আগে এই অবস্থান বিএনপি–জামায়াত সম্পর্ক, জোটগত গণিত এবং মাঠ পর্যায়ের ভোট টানাপোড়েনে নতুন মাত্রা যুক্ত করতে পারে। অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকারের ধারণাকে সামনে রেখে জামায়াত মূলধারার রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

একই বৈঠকে নির্বাচন–গণভোট একদিনে করার ঝুঁকি, রোহিঙ্গা সংকট, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতি দমন প্রসঙ্গেও মত দেয় জামায়াত। “দুর্নীতি না করা ও সমান বিচার নিশ্চিত” করার শর্ত দিয়ে জাতীয় সরকারের বার্তা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমিরের বক্তব্য—“নির্বাচনের সময় যারা টুপি পরে, তসবিহ হাতে ঘোরে—তারা ধর্ম ব্যবহার করে”—এ পর্যবেক্ষণও কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বলে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ৯টি ইউরোপীয় দেশের কূটনীতিক ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।