গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী: বেগম খালেদা জিয়ার জীবনাবসান
ডেস্ক রিপোর্ট
৩০-১২-২০২৫ দুপুর ৩:৩৫
গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী: বেগম খালেদা জিয়ার জীবনাবসান
বিএনপির চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা দিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই তিনি অসুস্থতা অনুভব করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন।
১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার সময় খালেদা জিয়া ছিলেন রাজনীতির বাইরের একজন গৃহবধূ। স্বামীর মৃত্যুর পর গভীর শোক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে বিএনপির দায়িত্ব নিতে বাধ্য হন তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম।
দীর্ঘ আট বছর রাজপথে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। পরে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আরও দুই দফা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
চার দশকের বেশি সময় বিএনপির নেতৃত্বে থাকা খালেদা জিয়া পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। দলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি ‘দেশনেত্রী’ নামে পরিচিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট
৩০-১২-২০২৫ দুপুর ৩:৩৫
বিএনপির চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা দিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই তিনি অসুস্থতা অনুভব করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন।
১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার সময় খালেদা জিয়া ছিলেন রাজনীতির বাইরের একজন গৃহবধূ। স্বামীর মৃত্যুর পর গভীর শোক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে বিএনপির দায়িত্ব নিতে বাধ্য হন তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম।
দীর্ঘ আট বছর রাজপথে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। পরে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আরও দুই দফা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
চার দশকের বেশি সময় বিএনপির নেতৃত্বে থাকা খালেদা জিয়া পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। দলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি ‘দেশনেত্রী’ নামে পরিচিত ছিলেন।