শিরোনামঃ
‘টাইটেল ধরে রাখার চাপ, তবু মেসিদের দাপ—জে গ্রুপে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্নযাত্রা’ বিশ্বকাপ ২০২৬—ঘুম ভাঙার আগেই মাঠে ব্রাজিল, জানুন তিন ম্যাচের সময়সূচি অর্থনীতিতে বড় অবদান, তবুও অভিবাসীরা রাজনৈতিক বিভাজনের কেন্দ্রে চাপ বাড়ছে ভোক্তার—ঘোষণাহীন দাম বৃদ্ধি বৈঠকে বৈধতা পেল! গণতন্ত্রই পথ, শিরিকে নয় মত—তারেকের কড়া বার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে ফিরলেই আরও দাম কমবে: ব্যবসায়ীদের পূর্বাভাস ঋণের ফাঁদে ‘দুই হাজার কোটি’, এস আলম–বিতর্ক নতুন আলোচনায় রংপুরে সুন্নী জোটের মতবিনিময় ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত  বাংলাদেশে জ্যাক মোটরসের নতুন ডিস্ট্রিবিউটর  র‌্যানকন  ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে বার্ষিক ‘আইইএলটিএস পার্টনারস মিট ২০২৫’ অনুষ্ঠিত

ফ্যাসিবাদ রোধে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির পক্ষে জাতীয় সংলাপ

#
news image

‘ফ্যাসিবাদ রোধে নির্বাচনী সংস্কার : সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি কি সমাধান?’-এই শিরোনামে এক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে। সংলাপটির আয়োজন করে পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ ফাউন্ডেশন। এতে বক্তারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংখ্যানুপাতিক পিআর পদ্ধতি হতে পারে কার্যকর সমাধান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রব। সূচনা বক্তব্য দেন ড. আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি হলে ভোটের অনুপাত অনুযায়ী সংসদে আসন বরাদ্দ হয়। এতে ছোট দলগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়, এবং একটি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে ওঠে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওয়ারেসুল করিম। তিনি বলেন, “ছাত্ররা কেবল চাকরির জন্য নয়, বরং ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে স্বৈরাচার প্রতিরোধ সম্ভব।

অধ্যাপক ড. মহিউদ্দীন সরকার বলেন, পিআর পদ্ধতি থাকলে কেন্দ্র দখল, রাতের ভোট বা অনিয়ম কমবে।

অধ্যাপক ড. শামীমা তাসমিম জানান, আমি ১৭ বছর ভোট দিইনি। কারণ এতে ভোটের কোনো মূল্যায়ন দেখি না।

সিটিজেন ইনিশিয়েটিভের কো-ফাউন্ডার মোহাম্মদ তালহা বলেন, এমন পদ্ধতি দরকার যেখানে প্রকৃত জনমত প্রতিফলিত হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বিশ্বজুড়ে পিআর পদ্ধতি সমর্থন পাচ্ছে। আমাদেরও এই পথে হাঁটতে হবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, ভারতীয় আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে রাজনৈতিক ঐক্য দরকার, আর তা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির মাধ্যমেই সম্ভব।

সভায় আরও বক্তব্য দেন-নয়া দিগন্তের মাসুমুর রহমান খলিলী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মাওলানা আতাউল্লা আমীন, ইসলামি আন্দোলনের শাহ ইফতেখার তারিক, লেখক শাহ আবদুল হালিম, এনসিপির মুজাহিদ ইসলাম সাহিন, মানবাধিকারকর্মী মাহবুব হক, ইনপ্যাক ইনিশিয়েটিভের এনায়েত হোসাইন জাকারিয়া, এবং অধ্যাপক ড. জুলফিকার হাসান।

বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতি চালু হলে নেতৃত্ব নির্বাচনে পথ উন্মুক্ত হবে, দলীয় গণতন্ত্র সুসংহত হবে এবং রাজনৈতিক স্বচ্ছতা বাড়বে।

সংলাপের সমাপ্তি বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুর রব বলেন, ফ্যাসিবাদকে মূল থেকে নির্মূল করতে হলে এখনই সময় গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপ সংহত করার। পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে জনগণের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৭-৭-২০২৫ রাত ৯:৩৩

news image

‘ফ্যাসিবাদ রোধে নির্বাচনী সংস্কার : সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি কি সমাধান?’-এই শিরোনামে এক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে। সংলাপটির আয়োজন করে পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজ ফাউন্ডেশন। এতে বক্তারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংখ্যানুপাতিক পিআর পদ্ধতি হতে পারে কার্যকর সমাধান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রব। সূচনা বক্তব্য দেন ড. আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি হলে ভোটের অনুপাত অনুযায়ী সংসদে আসন বরাদ্দ হয়। এতে ছোট দলগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়, এবং একটি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে ওঠে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওয়ারেসুল করিম। তিনি বলেন, “ছাত্ররা কেবল চাকরির জন্য নয়, বরং ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে স্বৈরাচার প্রতিরোধ সম্ভব।

অধ্যাপক ড. মহিউদ্দীন সরকার বলেন, পিআর পদ্ধতি থাকলে কেন্দ্র দখল, রাতের ভোট বা অনিয়ম কমবে।

অধ্যাপক ড. শামীমা তাসমিম জানান, আমি ১৭ বছর ভোট দিইনি। কারণ এতে ভোটের কোনো মূল্যায়ন দেখি না।

সিটিজেন ইনিশিয়েটিভের কো-ফাউন্ডার মোহাম্মদ তালহা বলেন, এমন পদ্ধতি দরকার যেখানে প্রকৃত জনমত প্রতিফলিত হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বিশ্বজুড়ে পিআর পদ্ধতি সমর্থন পাচ্ছে। আমাদেরও এই পথে হাঁটতে হবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, ভারতীয় আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে রাজনৈতিক ঐক্য দরকার, আর তা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির মাধ্যমেই সম্ভব।

সভায় আরও বক্তব্য দেন-নয়া দিগন্তের মাসুমুর রহমান খলিলী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মাওলানা আতাউল্লা আমীন, ইসলামি আন্দোলনের শাহ ইফতেখার তারিক, লেখক শাহ আবদুল হালিম, এনসিপির মুজাহিদ ইসলাম সাহিন, মানবাধিকারকর্মী মাহবুব হক, ইনপ্যাক ইনিশিয়েটিভের এনায়েত হোসাইন জাকারিয়া, এবং অধ্যাপক ড. জুলফিকার হাসান।

বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতি চালু হলে নেতৃত্ব নির্বাচনে পথ উন্মুক্ত হবে, দলীয় গণতন্ত্র সুসংহত হবে এবং রাজনৈতিক স্বচ্ছতা বাড়বে।

সংলাপের সমাপ্তি বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুর রব বলেন, ফ্যাসিবাদকে মূল থেকে নির্মূল করতে হলে এখনই সময় গণতন্ত্রের প্রকৃত রূপ সংহত করার। পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে জনগণের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে।