শিরোনামঃ
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছবি আঁকা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহে তীব্র শীত, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ উগান্ডায় প্রেসিডেন্ট ভোটের পর বিরোধী নেতা ববি ওয়াইনকে হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়ার অভিযোগ সিলেটে বাস সংঘর্ষে ২ নিহত, ১০ আহত আজও বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতন ‘অবশ্যম্ভাবী’, দেশে ফেরার ঘোষণা ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহ: ট্রাম্প শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ১ নিহত, ২ আহত পাকিস্তানের সরগোধায় কুয়াশায় ট্রাক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪

পাপন সিংয়ের গোলে জয়ে বছর শেষ করল বাংলাদেশ

#
news image

২০২৪ সালের ফিফা উইন্ডোর শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়ে বছর শেষ করেছে। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দুই দলের মধ্যে দুই ম্যাচের সিরিজ সমতায় শেষ হয়। এর আগে প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপ জয় পেয়েছিল।

ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই একটি করে গোল করে। তবে মূল উত্তেজনা তৈরি হয় শেষ মুহূর্তে। নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচ ১-১ সমতায় থাকলেও, ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে বদলি খেলোয়াড় পাপন সিং জয়সূচক গোল করেন। বাম প্রান্ত থেকে পাওয়া পাসটি বক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় শট নিয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পাপন। তার এই গোল দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করে।

ম্যাচে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স

বাংলাদেশ দল প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েছিল। ম্যাচের ২৩ মিনিটে ডিফেন্ডার তপু বর্মণের ভুল পাসে মালদ্বীপের মিডফিল্ডার ইব্রাহিম হোসেন বলটি আলী ফাসিরের উদ্দেশ্যে থ্রু পাস দেন। ফাসির সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দক্ষতার সঙ্গে গোল করেন।

বাংলাদেশ সমতায় ফিরে আসে প্রথমার্ধের শেষদিকে। ৪২ মিনিটে মজিবুর রহমান জনি দারুণ এক গোল করেন। বক্সের বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কোনাকুনি শট নেন তিনি, যা মালদ্বীপের গোলরক্ষক রুখতে ব্যর্থ হন।

দ্বিতীয়ার্ধের সুযোগ ও মিস

দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ একাধিক সুযোগ পেলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পায়নি। পিয়াস আহমেদ নোভা, শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মালদ্বীপের ডিফেন্স শক্ত ছিল, তবে বাংলাদেশ তাদের আক্রমণে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে।

বাংলাদেশের হতাশাজনক বছর

২০২৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল মোট আটটি ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে ছয়টি হেরেছে এবং মাত্র দুটি জিতেছে। আট ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র তিনটি গোল করতে পেরেছে, যা ফরোয়ার্ডদের দুর্বলতার পরিচয় দেয়।

বছরের শেষ ম্যাচে পাপন সিংয়ের শেষ মুহূর্তের গোল এবং জনির অসাধারণ পারফরম্যান্স দলের কিছুটা মান রক্ষা করেছে। তবে পুরো মৌসুম জুড়ে দলের আক্রমণভাগের অদক্ষতা ও ডিফেন্সের দুর্বলতা সমস্যা হিসেবে থেকেই গেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৭-১১-২০২৪ রাত ১:৫০

news image

২০২৪ সালের ফিফা উইন্ডোর শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়ে বছর শেষ করেছে। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দুই দলের মধ্যে দুই ম্যাচের সিরিজ সমতায় শেষ হয়। এর আগে প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপ জয় পেয়েছিল।

ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই একটি করে গোল করে। তবে মূল উত্তেজনা তৈরি হয় শেষ মুহূর্তে। নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচ ১-১ সমতায় থাকলেও, ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে বদলি খেলোয়াড় পাপন সিং জয়সূচক গোল করেন। বাম প্রান্ত থেকে পাওয়া পাসটি বক্সের ভেতর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় শট নিয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পাপন। তার এই গোল দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করে।

ম্যাচে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স

বাংলাদেশ দল প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েছিল। ম্যাচের ২৩ মিনিটে ডিফেন্ডার তপু বর্মণের ভুল পাসে মালদ্বীপের মিডফিল্ডার ইব্রাহিম হোসেন বলটি আলী ফাসিরের উদ্দেশ্যে থ্রু পাস দেন। ফাসির সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দক্ষতার সঙ্গে গোল করেন।

বাংলাদেশ সমতায় ফিরে আসে প্রথমার্ধের শেষদিকে। ৪২ মিনিটে মজিবুর রহমান জনি দারুণ এক গোল করেন। বক্সের বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কোনাকুনি শট নেন তিনি, যা মালদ্বীপের গোলরক্ষক রুখতে ব্যর্থ হন।

দ্বিতীয়ার্ধের সুযোগ ও মিস

দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ একাধিক সুযোগ পেলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পায়নি। পিয়াস আহমেদ নোভা, শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেন গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মালদ্বীপের ডিফেন্স শক্ত ছিল, তবে বাংলাদেশ তাদের আক্রমণে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে।

বাংলাদেশের হতাশাজনক বছর

২০২৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল মোট আটটি ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে ছয়টি হেরেছে এবং মাত্র দুটি জিতেছে। আট ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র তিনটি গোল করতে পেরেছে, যা ফরোয়ার্ডদের দুর্বলতার পরিচয় দেয়।

বছরের শেষ ম্যাচে পাপন সিংয়ের শেষ মুহূর্তের গোল এবং জনির অসাধারণ পারফরম্যান্স দলের কিছুটা মান রক্ষা করেছে। তবে পুরো মৌসুম জুড়ে দলের আক্রমণভাগের অদক্ষতা ও ডিফেন্সের দুর্বলতা সমস্যা হিসেবে থেকেই গেছে।