শিরোনামঃ
রাজধানীর অভিজাত শপিংমলগুলোতে ব্যবসায়িক ধস পরিকল্পিত নগরায়ন ও জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদারের তাগিদ মানবিকতার বন্ধনে এক মঞ্চে ১৬ জেলার তিন শতাধিক শুভসংঘ সদস্য আইসিসিবিতে জমজমাট গাড়ির হাট, ছাড়ের সঙ্গে মিলছে নানা উপহার নগরবাসীর হাঁটার মৌলিক অধিকার বনাম অবৈধ দখল বাণিজ্য: ঢাকার ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি পদক্ষেপ বাঞ্ছারামপুরে সুদ-সার্ভিস চার্জ ছাড়াই ১৬৮ নারীর মাঝে ৩০ লাখ টাকা বিতরণ ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী মুঘল খাবার ও সুফি সুরে আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্টে ৮ সপ্তাহের সংগীত উৎসব অনিশ্চিত ছিল এসএসসি, শুভর পাশে দাঁড়াল এবিজি ফাউন্ডেশন সাবেক তারকাদের উপস্থিতিতে জমজমাট আয়োজনে শুরু হলো এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ

পরিকল্পিত নগরায়ন ও জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদারের তাগিদ

#
news image

পূর্বাচল ও এর আশপাশের এলাকায় গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন এবং অবৈধ আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। 
গত ৩১ অক্টোবর/২০২৬ বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি অবৈধ আবাসন প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো:
১. ওয়েল কেয়ার হাউজিং
২. লন্ডন হাউজিং
৩. এলেস্ট টাউন
৪. আনন্দ হাউজিং
​সাধারণ ক্রেতা ও দেশের ক্ষতি: বিএলডিএ জানায়, যথাযথ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়াই পূর্বাচল ও তার আশপাশে কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীনভাবে জমি ক্রয়-বিক্রয়, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়নের কারণে সাধারণ ক্রেতারা মারাত্মক আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। এর ফলে সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি বৈধ ও নিবন্ধিত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলো আস্থার সংকটে পড়ার পাশাপাশি তাদের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

​বিএলডিএর ৫ দফা দাবি: দেশের আবাসন খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজউক এবং প্রশাসনের কাছে ৫টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএলডিএ:
১. ​আইনানুগ ব্যবস্থা: অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
২. ​অভিযান পরিচালনা: অবৈধভাবে প্লট বিক্রয় ও বরাদ্দ কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো।
৩. ​বিনিয়োগের সুরক্ষা: সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও তাদের বিনিয়োগের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৪. ​সুষ্ঠু পরিবেশ: অনুমোদিত ও নিয়ম মেনে পরিচালিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা।
৫. ​সমন্বিত তদারকি: পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

​সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, আইন মেনে চলা আবাসন খাতের বিকাশ এবং অবৈধ কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ—উভয়ই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য অপরিহার্য। একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তুলতে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে বিএলডিএ।

অনলাইন ডেস্ক

৩১-১০-২০২৬ বিকাল ৬:৮

news image

পূর্বাচল ও এর আশপাশের এলাকায় গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন এবং অবৈধ আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)। 
গত ৩১ অক্টোবর/২০২৬ বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি অবৈধ আবাসন প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো:
১. ওয়েল কেয়ার হাউজিং
২. লন্ডন হাউজিং
৩. এলেস্ট টাউন
৪. আনন্দ হাউজিং
​সাধারণ ক্রেতা ও দেশের ক্ষতি: বিএলডিএ জানায়, যথাযথ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়াই পূর্বাচল ও তার আশপাশে কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীনভাবে জমি ক্রয়-বিক্রয়, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়নের কারণে সাধারণ ক্রেতারা মারাত্মক আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। এর ফলে সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি বৈধ ও নিবন্ধিত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলো আস্থার সংকটে পড়ার পাশাপাশি তাদের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

​বিএলডিএর ৫ দফা দাবি: দেশের আবাসন খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজউক এবং প্রশাসনের কাছে ৫টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএলডিএ:
১. ​আইনানুগ ব্যবস্থা: অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
২. ​অভিযান পরিচালনা: অবৈধভাবে প্লট বিক্রয় ও বরাদ্দ কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো।
৩. ​বিনিয়োগের সুরক্ষা: সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও তাদের বিনিয়োগের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৪. ​সুষ্ঠু পরিবেশ: অনুমোদিত ও নিয়ম মেনে পরিচালিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা।
৫. ​সমন্বিত তদারকি: পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

​সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, আইন মেনে চলা আবাসন খাতের বিকাশ এবং অবৈধ কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ—উভয়ই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য অপরিহার্য। একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তুলতে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে বিএলডিএ।