ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
৩০-১০-২০২৬ বিকাল ৭:৪১
ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকাসহ সারা দেশকে পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর করে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানী ঢাকাকে জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করে তোলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওতে হোটেল নিউ ওতানিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কমিউনিটি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব
প্রধানমন্ত্রী বলেন, টোকিওর রাস্তাঘাটে সাধারণত ময়লা-আবর্জনা দেখা যায় না। অথচ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা জমে থাকতে দেখা যায়। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন জরুরি। বর্জ্য থেকে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
বায়ুদূষণ কমানো, সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন এবং দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণের ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে ময়লা-আবর্জনা যেন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে এবং দূষিত বাতাসের কারণে কেউ যেন অসুস্থ না হন, সে লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করতে পারা দেশের জন্য একটি বড় ধরনের সংস্কার হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে সংস্কারের সুফল সমাজের খেটে খাওয়া ও প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নে এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হন। রাজনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
দেশ গঠন ও সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীদের পরিবারসহ দেশের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বলছি না যে বিএনপিকে ভোট দেন। কাজগুলো যদি আপনাদের কাছে সঠিক মনে হয়, তাহলে আমাদের সমর্থন দিন, যাতে সেগুলো বাস্তবায়ন করা যায়।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসীদের উদ্দেশে শিশুশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান শেষে জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীকে একটি আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।
অনলাইন ডেস্ক
৩০-১০-২০২৬ বিকাল ৭:৪১
ঢাকাসহ সারা দেশকে পরিচ্ছন্ন, দূষণমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর করে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানী ঢাকাকে জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করে তোলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওতে হোটেল নিউ ওতানিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কমিউনিটি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব
প্রধানমন্ত্রী বলেন, টোকিওর রাস্তাঘাটে সাধারণত ময়লা-আবর্জনা দেখা যায় না। অথচ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা জমে থাকতে দেখা যায়। এ পরিস্থিতির পরিবর্তন জরুরি। বর্জ্য থেকে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
বায়ুদূষণ কমানো, সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন এবং দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণের ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে ময়লা-আবর্জনা যেন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে এবং দূষিত বাতাসের কারণে কেউ যেন অসুস্থ না হন, সে লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করতে পারা দেশের জন্য একটি বড় ধরনের সংস্কার হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে সংস্কারের সুফল সমাজের খেটে খাওয়া ও প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উন্নয়নে এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হন। রাজনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
দেশ গঠন ও সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীদের পরিবারসহ দেশের সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বলছি না যে বিএনপিকে ভোট দেন। কাজগুলো যদি আপনাদের কাছে সঠিক মনে হয়, তাহলে আমাদের সমর্থন দিন, যাতে সেগুলো বাস্তবায়ন করা যায়।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসীদের উদ্দেশে শিশুশিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠান শেষে জাপান বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীকে একটি আলোকচিত্র উপহার দেওয়া হয়।