শিরোনামঃ
ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো গরুর রাখাল থেকে ব্যাংক দখলের দৌড়ে, ফের আলোচনায় লোকিত উল্লাহ নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

মাত্র ২ জন ডাক্তার চালাচ্ছেন ২.৫ লাখ মানুষের হাসপাতাল

#
news image

জেলার কাহারোল উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে ভয়াবহ চিকিৎসক সংকটের কারণে। স্থানীয় কাহারোল উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিরল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসা এই হাসপাতাল, কিন্তু সেখানে ১৬ জন মেডিকেল অফিসারের পদের বিপরীতে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক! এদের মধ্যে আবার একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, একজন ইউনানী, একজন জেনারেল ও একজন ডেন্টাল চিকিৎসক।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে আরও করুণ চিত্র। কার্যত, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাচ্ছেন মাত্র দুইজন চিকিৎসক।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী। জরুরি বিভাগে থাকে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর ভিড়। পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন।

এই ভয়াবহ সংকটের মধ্যে, ইউনানী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ নাফিস রেজা একাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। অন্য দিকে, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুভ আন্তঃবিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কার্যত, এই দুইজন ডাক্তারের ওপরই নির্ভর করছে আড়াই লাখ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চিকিৎসকের অভাবের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আমরা খুব কষ্টের মধ্যেও চেষ্টা করছি যাতে কোনো রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে এবং আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা চিকিৎসক পেয়ে যাব।

এই চরম চিকিৎসক সংকট, স্বাস্থ্য সহকারী, আয়া, ওয়ার্ডবয় ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ঘাটতির সঙ্গে মিলে কাহারোল ৫০ শয্যার হাসপাতালকে কার্যত এক রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। দ্রুত এই শূন্যপদগুলো পূরণ না হলে আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

মো. ইসমাইল হোসেন, দিনাজপুর প্রতিনিধি

২৩-১১-২০২৫ রাত ১১:৫০

news image

জেলার কাহারোল উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মুখ থুবড়ে পড়েছে ভয়াবহ চিকিৎসক সংকটের কারণে। স্থানীয় কাহারোল উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী বিরল, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার ভরসা এই হাসপাতাল, কিন্তু সেখানে ১৬ জন মেডিকেল অফিসারের পদের বিপরীতে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন মাত্র চারজন চিকিৎসক! এদের মধ্যে আবার একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, একজন ইউনানী, একজন জেনারেল ও একজন ডেন্টাল চিকিৎসক।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে আরও করুণ চিত্র। কার্যত, হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগের বিপুল সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাচ্ছেন মাত্র দুইজন চিকিৎসক।
হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী। জরুরি বিভাগে থাকে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগীর ভিড়। পাশাপাশি আন্তঃবিভাগে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন।

এই ভয়াবহ সংকটের মধ্যে, ইউনানী চিকিৎসক ডাঃ মোঃ নাফিস রেজা একাই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ জন রোগীর চিকিৎসা দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। অন্য দিকে, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শুভ আন্তঃবিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কার্যত, এই দুইজন ডাক্তারের ওপরই নির্ভর করছে আড়াই লাখ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চিকিৎসকের অভাবের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আমরা খুব কষ্টের মধ্যেও চেষ্টা করছি যাতে কোনো রোগী চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে না যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে এবং আশা করি খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা চিকিৎসক পেয়ে যাব।

এই চরম চিকিৎসক সংকট, স্বাস্থ্য সহকারী, আয়া, ওয়ার্ডবয় ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকের ঘাটতির সঙ্গে মিলে কাহারোল ৫০ শয্যার হাসপাতালকে কার্যত এক রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। দ্রুত এই শূন্যপদগুলো পূরণ না হলে আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।