শিরোনামঃ
শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে দেশবন্ধু গ্রুপ মাতৃভাষার মর্যাদায় একুশের সন্ধ্যা: ঢাবি থিয়েটার বিভাগের উদ্যোগ ভালোবাসা দিবসে পার্থ প্রতীম রায়ের নতুন গান ‘ভালোবাসি বলতে চাই’ চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসী হামলা, ১০ সাংবাদিক আহত জামায়াত নেতার ছেলেকে রিভলবার ঠেকিয়ে বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে: জামায়াত আমির নির্বাচন নিরপেক্ষ না হলে প্রশ্ন উঠবে: ইসলামী আন্দোলনের আমির বিদ্যুৎ খাত দেউলিয়ার পথে: আদানি, সামিট ও এসএস পাওয়ার চুক্তিতে বিপুল আর্থিক ঝুঁকি স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু: আত্মহত্যা না হত্যাকাণ্ড, প্রশ্নের মুখে তদন্ত

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ

#
news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।

ডেস্ক রিপোর্ট

১৩-১১-২০২৫ রাত ১২:১৪

news image

ভারতের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ দেয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহকে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করে গভীর উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখেছে, কারণ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারাধীন এক পলাতক আসামিকে আশ্রয় দেওয়া এবং তাকে বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্য প্রচারের সুযোগ দেওয়া দুদেশের সম্পর্কের জন্য ‘অসহায়ক ও অনভিপ্রেত’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে কূটনৈতিক সতর্কবার্তা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বাংলাদেশ আশা করছে, নয়াদিল্লি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সম্পর্কের গঠনমূলক অগ্রগতি বজায় থাকবে।