স্বেচ্ছাসেবক দলের তৃণমূলের কর্মীদের পছন্দের তালিকায় নজরুল ইসলাম এগিয়ে
আবুল বারাকাত
১৭-৫-২০২৬ বিকাল ৫:১৪
স্বেচ্ছাসেবক দলের তৃণমূলের কর্মীদের পছন্দের তালিকায় নজরুল ইসলাম এগিয়ে
তৃণমূলের কর্মীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান। দীর্ঘ দিনের পরিক্ষীত ও বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড নজরুল ইসলাম নোমানকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে এগিয়ে রেখেছেন তারা।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীদের সাথে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে কারা এগিয়ে আছেন এই প্রশ্নের উত্তরে নজরুল ইসলাম নোমানকে তারা আলোচনার সামনে রেখেছেন ।
১৮ বছরের বহুমূখী আন্দোলন সংগ্রাম পেরিয়ে তারেক রহমানের সাংগঠনিক দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও শৃঙ্খল নেতৃত্বে বিএনপি একক ভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়ে চমক সৃষ্টি করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিভিন্ন আলোচনায় এই সত্যটি তুলে ধরেছেন। সরকার পরিচালনায় তিনি চাচ্ছেন দলের সকল অংশের আন্তরিক সহযোগীতা। এই জন্যই ত্যাগী, যোগ্য, দক্ষ ও সৎ সংগঠকদের দিয়ে তিনি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন গুলোকে নতুন ভাবে সাজাতে চান ।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় কর্মীদের পছন্দ,গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ ও দলীয় অভ্যন্তরীণ রির্পোটে উঠে এসেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুর ইসলাম নোমানের নাম ।
বারবার কারা নির্যাতীত ও বহু রাজনৈতিক মামলার আসামী হয়েও হার না মানা এক তরুণ নেতা নজরুল ইসলাম নোমান।
এই প্রতিবেদক কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নোমান বলেন ,দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দলকে আগামী দিনে আরও কার্যকর শক্তিশালী প্লাটফর্মে পরিণত করতে চান। এই কারণেই আমি স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে প্রার্থী হয়েছি।
নজরুল ইসলাম নোমান বিগত দিনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি স্বৈরাচারী, ফ্যাসিষ্ট হাসিনার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন করতে গিয়ে বারবার গ্রেপ্তার হয়েছি ও দীর্ঘদিন জেল খেটেছি । সর্বশেষ চব্বিশের ছাত্র – জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর শান্তিনগর এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আমার সাথে ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণ, তিতুমীর কলেজ ছাত্র দলের সভাপতি ইমাম সহ আমার সাথে থাকা দু’ জন সহযোদ্ধাকে, নয়া পল্টন বি এন পি কেন্দ্রীয় অফিসের তিনজনকে নিয়ে তৎকালীন ডিবি পুলিশ প্রধান কুখ্যাত হারুন অস্ত্র- গুলি, বোমা, লাঠি উদ্ধারের নামে এক ভয়াবহ নাটক জাতির সামনে উপস্থাপন করে। জাতি এই নাটক ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করে।প্রত্যকটি আন্দোলনে আমি সরাসরি সবার সামনে থেকে অসংখ্য নেতাকর্মীকে সংগঠিত করে মাঠে থাকায় স্বৈরাচারের অমানবিক নিপিড়নের শিকার হয়েছি।
দলীয় প্রার্থী হিসেবে কোন পদে প্রতিদ্বন্দিতা করতে চান এই প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন, আমার থেকে জুনিয়রদের দিয়ে কমিটি হলে আমি সভাপতি প্রার্থী আর আমার থেকে সিনিয়র কাউকে সভাপতি দিলে আমি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।
নজরুল ইসলাম রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সফল ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রথমে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং পরে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এক যুগের ও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। নোমান বলেন, ছাত্রদলে থাকাকালীন সময়েও রাজপথের আন্দোলনে নিয়মিত সক্রিয় ছিলাম।
নজরুল ইসলাম বলেন সর্বশেষ দলের চেয়াম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সংগঠনের প্রয়োজনে যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই আমাদের জন্য শিরোধার্য।আমি এবং আমার সক্রিয় কর্মীরা জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও দল এবং দেশের কল্যানে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
আবুল বারাকাত
১৭-৫-২০২৬ বিকাল ৫:১৪
তৃণমূলের কর্মীদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান। দীর্ঘ দিনের পরিক্ষীত ও বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড নজরুল ইসলাম নোমানকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে এগিয়ে রেখেছেন তারা।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীদের সাথে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে কারা এগিয়ে আছেন এই প্রশ্নের উত্তরে নজরুল ইসলাম নোমানকে তারা আলোচনার সামনে রেখেছেন ।
১৮ বছরের বহুমূখী আন্দোলন সংগ্রাম পেরিয়ে তারেক রহমানের সাংগঠনিক দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও শৃঙ্খল নেতৃত্বে বিএনপি একক ভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়ে চমক সৃষ্টি করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিভিন্ন আলোচনায় এই সত্যটি তুলে ধরেছেন। সরকার পরিচালনায় তিনি চাচ্ছেন দলের সকল অংশের আন্তরিক সহযোগীতা। এই জন্যই ত্যাগী, যোগ্য, দক্ষ ও সৎ সংগঠকদের দিয়ে তিনি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন গুলোকে নতুন ভাবে সাজাতে চান ।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় কর্মীদের পছন্দ,গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ ও দলীয় অভ্যন্তরীণ রির্পোটে উঠে এসেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুর ইসলাম নোমানের নাম ।
বারবার কারা নির্যাতীত ও বহু রাজনৈতিক মামলার আসামী হয়েও হার না মানা এক তরুণ নেতা নজরুল ইসলাম নোমান।
এই প্রতিবেদক কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নোমান বলেন ,দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দলকে আগামী দিনে আরও কার্যকর শক্তিশালী প্লাটফর্মে পরিণত করতে চান। এই কারণেই আমি স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে প্রার্থী হয়েছি।
নজরুল ইসলাম নোমান বিগত দিনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি স্বৈরাচারী, ফ্যাসিষ্ট হাসিনার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন করতে গিয়ে বারবার গ্রেপ্তার হয়েছি ও দীর্ঘদিন জেল খেটেছি । সর্বশেষ চব্বিশের ছাত্র – জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর শান্তিনগর এলাকা থেকে ডিবি পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আমার সাথে ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণ, তিতুমীর কলেজ ছাত্র দলের সভাপতি ইমাম সহ আমার সাথে থাকা দু’ জন সহযোদ্ধাকে, নয়া পল্টন বি এন পি কেন্দ্রীয় অফিসের তিনজনকে নিয়ে তৎকালীন ডিবি পুলিশ প্রধান কুখ্যাত হারুন অস্ত্র- গুলি, বোমা, লাঠি উদ্ধারের নামে এক ভয়াবহ নাটক জাতির সামনে উপস্থাপন করে। জাতি এই নাটক ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করে।প্রত্যকটি আন্দোলনে আমি সরাসরি সবার সামনে থেকে অসংখ্য নেতাকর্মীকে সংগঠিত করে মাঠে থাকায় স্বৈরাচারের অমানবিক নিপিড়নের শিকার হয়েছি।
দলীয় প্রার্থী হিসেবে কোন পদে প্রতিদ্বন্দিতা করতে চান এই প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম বলেন, আমার থেকে জুনিয়রদের দিয়ে কমিটি হলে আমি সভাপতি প্রার্থী আর আমার থেকে সিনিয়র কাউকে সভাপতি দিলে আমি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী।
নজরুল ইসলাম রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সফল ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রথমে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং পরে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এক যুগের ও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। নোমান বলেন, ছাত্রদলে থাকাকালীন সময়েও রাজপথের আন্দোলনে নিয়মিত সক্রিয় ছিলাম।
নজরুল ইসলাম বলেন সর্বশেষ দলের চেয়াম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সংগঠনের প্রয়োজনে যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই আমাদের জন্য শিরোধার্য।আমি এবং আমার সক্রিয় কর্মীরা জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও দল এবং দেশের কল্যানে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।