শিরোনামঃ
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপজেলায় নয়, এবার মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা। নরসিংদীর শিবপুরের ইউ এন ও‌ ময়লার ভাগাড়ে করলেন ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান  । কক্সবাজারে উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্প রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে ৫ কেজি আইস ও ৫ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ১ আন্তর্দেশীয় বিয়ের আড়ালে নারী পাচার, এখনই সতর্ক হতে হবে ময়মনসিংহে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভূমিকম্প বিকল্পে টেকসই জরুরি কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ মহড়া অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ দুইজন চোরাচালানকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ

বিএসটিআই-এর অভিযানে হায়ারের ২ টনের এসিতে কম কুলিং ক্ষমতার অভিযোগ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

#
news image

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) সম্প্রতি রাজধানী গুলশানের এক অভিযানে হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের দুইটন এসিরের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে।

বিএসটিআই দাবি করেছে, পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এই এসিগুলোর ঘোষিত কুলিং ক্ষমতার (বিটিইউ) সাথে প্রকৃত সক্ষমতার মধ্যে বিশাল অমিল রয়েছে। 

গত ২৮ জুন, ২০২৬ তারিখে বিএসটিআইয়ের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হায়ার বাংলাদেশকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে সরকারি অনুমতি ছাড়া স্টোরেজ ওয়াটার হিটার বা গিজার বিক্রির জন্য তাদের শোরুমে তল্লাশি চালানো হয়। 

এর পাশাপাশি, দুইটি ২ টনের এসি জব্দ করা হয় যা পরীক্ষার পর কম কুলিং ক্ষমতার জন্য অভিযুক্ত হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্র অনুযায়ী, পরীক্ষাগারে এসিগুলোর কুলিং ক্ষমতার পরিমাপক যন্ত্রে কুলিং ক্ষমতার জন্য ঘোষিত বিটিইউ ও প্রকৃত সক্ষমতার মধ্যে স্পষ্ট অমিল দেখা গেছে।

গ্রাহকরা বিশেষভাবে এই ধরনের পণ্য কিনে শক্তিশালী কুলিংয়ের আশায় প্রতারিত হয়েছেন এবং তারা আদেশিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পণ্য পাচ্ছেন না।

এই পরিস্থিতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে। বিএসটিআই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে এবং ঘোষণা করছে যে, এমন অভিযোগ প্রতিরোধে তারা রাজধানীর গুলশান, বনানী সহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

বি এস টি আই, হায়ার বাংলাদেশ গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে করে আসা এধরনের প্রতারণার বিষয়টি উন্মোচন করেছে ।

এটি ভোক্তা অধিকার ইস্যুতে একটি বড় আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক নীতি ও গ্রাহক সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে ফুটিয়ে তোলে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে তারা এই ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধের জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। 

কর্মকর্তারা গ্রাহকদের সতর্ক করে দিয়েছেন যে, বাজারে যখন ভ্রষ্টাচার দেখা দেয়, তখন তাদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এই ঘটনাটি দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারের জন্য একটি সতর্ক সংকেত, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানের ব্যাপারে আরও সজাগ ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। 

সর্বপরি, গ্রাহকদের উচিত পণ্যের বৈধতা ও স্পেসিফিকেশন যাচাই করা, যাতে তারা প্রতারণার শিকার না হন।

আবুল বারাকাত

৮-৭-২০২৬ রাত ১০:৫০

news image

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) সম্প্রতি রাজধানী গুলশানের এক অভিযানে হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের দুইটন এসিরের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে।

বিএসটিআই দাবি করেছে, পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এই এসিগুলোর ঘোষিত কুলিং ক্ষমতার (বিটিইউ) সাথে প্রকৃত সক্ষমতার মধ্যে বিশাল অমিল রয়েছে। 

গত ২৮ জুন, ২০২৬ তারিখে বিএসটিআইয়ের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হায়ার বাংলাদেশকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে সরকারি অনুমতি ছাড়া স্টোরেজ ওয়াটার হিটার বা গিজার বিক্রির জন্য তাদের শোরুমে তল্লাশি চালানো হয়। 

এর পাশাপাশি, দুইটি ২ টনের এসি জব্দ করা হয় যা পরীক্ষার পর কম কুলিং ক্ষমতার জন্য অভিযুক্ত হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্র অনুযায়ী, পরীক্ষাগারে এসিগুলোর কুলিং ক্ষমতার পরিমাপক যন্ত্রে কুলিং ক্ষমতার জন্য ঘোষিত বিটিইউ ও প্রকৃত সক্ষমতার মধ্যে স্পষ্ট অমিল দেখা গেছে।

গ্রাহকরা বিশেষভাবে এই ধরনের পণ্য কিনে শক্তিশালী কুলিংয়ের আশায় প্রতারিত হয়েছেন এবং তারা আদেশিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পণ্য পাচ্ছেন না।

এই পরিস্থিতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে। বিএসটিআই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে এবং ঘোষণা করছে যে, এমন অভিযোগ প্রতিরোধে তারা রাজধানীর গুলশান, বনানী সহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত তদারকি ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।

বি এস টি আই, হায়ার বাংলাদেশ গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে করে আসা এধরনের প্রতারণার বিষয়টি উন্মোচন করেছে ।

এটি ভোক্তা অধিকার ইস্যুতে একটি বড় আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং দেশের অর্থনৈতিক নীতি ও গ্রাহক সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে ফুটিয়ে তোলে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে তারা এই ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধের জন্য দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। 

কর্মকর্তারা গ্রাহকদের সতর্ক করে দিয়েছেন যে, বাজারে যখন ভ্রষ্টাচার দেখা দেয়, তখন তাদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এই ঘটনাটি দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারের জন্য একটি সতর্ক সংকেত, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মানের ব্যাপারে আরও সজাগ ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। 

সর্বপরি, গ্রাহকদের উচিত পণ্যের বৈধতা ও স্পেসিফিকেশন যাচাই করা, যাতে তারা প্রতারণার শিকার না হন।